মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সম্পর্কে পদার্থবিজ্ঞানী আইনস্টাইনের ধারণাই সত্য বলে প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই প্রমাণ পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের জগতে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই শনাক্তের ঘোষণা দেওয়া হয় বলে রয়টার্স জানিয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েব অভজারভেটরির (এলআইজিও-লাইগো) গবেষকরা এই ঘোষণা দেন।
লিগো প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ডেভিড রেইতজি বলেন, ‘আমরা মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করেছি। এই প্রথম বিশ্বজগত মহাকর্ষীয় তরঙ্গের মাধ্যমে আমাদের সামনে প্রকাশিত হলো। এর আগে পর্যন্ত আমরা বধির ছিলাম।’
গবেষকরা বলছেন, সূর্যের থেকে প্রায় ৩০ গুণ ভারী দুটি কৃষ্ণ গহ্বরের ব্ল্যাক হোলের সংঘর্ষ থেকে উৎপন্ন এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ (গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েব) শনাক্ত করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের আরেক গবেষক প্রফেসর কারস্টেন ডানজমান বলেন, ‘এই আবিষ্কার হিগস কণা ও ডিএনএ এর গঠন আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানের জগতে সবচেয়ে বড় ঘটনা।’
বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন তার প্রণীত আপেক্ষিকতার তত্ত্বে বলেন, মহাকর্ষ তরঙ্গের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়। মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ধর্ম আলোক তরঙ্গের মত না হলেও গতি আলোক তরঙ্গের সমান।
বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্তের এ ঘটনাকে ইতিহাসের মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। সূত্রঃ বিবিসি
/ইউআর/








