গত কয়েক বছরের মতো এবারও জীবন যাপনের মানের দিক দিয়ে বিশ্বের সেরা বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। আর সবচেয়ে খারাপ জীবন যাপনের মানের কারণে তালিকায় সবার নিচে রয়েছে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের নাম। নিউইয়র্কভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মার্সারের ‘এইটিনথ কোয়ালিটি অব লাইফ র্যাংকিং’ শীর্ষক তালিকায় উঠে এসেছে এমন তথ্য।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, সামাজিক ও আর্থিক অবস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আবাসন এবং পরিবেশ বিবেচনা করে বসবাসযোগ্য শহরের তালিকাটি তৈরি করেছে মার্সার। বড় বড় কোম্পানিগুলো শহরটিকে কিভাবে দেখে এবং সেখানকার কর্মীদের কেমন পারিশ্রমিক দিতে চায় সে বিষয়গুলোও বিবেচনা করা হয়েছে।
সেরা ৭টি বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় ভিয়েনার পরপরই রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরটি। আর এর পরই রয়েছে জার্মানির তিনটি শহর-মিউনিখ, ডুসেলডর্ফ এবং ফ্রাংকফুর্ট। ফ্রান্সের প্যারিস এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মতো জমকালো শহরগুলো তালিকায় শীর্ষ ৩৫ এর মধ্যেও থাকতে পারেনি।
তালিকায় প্যারিসের অবস্থান ৩৭। সন্ত্রাসী হামলার হুমকিতে থাকার কারণে এবার শহরটির অবস্থানের অবনতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তালিকায় নিউ ইয়র্কের অবস্থান ৪৪।
তালিকায় নিজের শহর শীর্ষ অবস্থানে থাকা নিয়ে বিস্মিত নন ভিয়েনার বাসিন্দারা। শহরটিতে বেড়ে ওঠা হেলেনা হার্টলোয়ার গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘আমি শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে মাত্র ২০ মিনিটের হাঁটাপথের দূরত্বে থাকি। অথচ আমার বাড়ি ভাড়া মাসে মাত্র ৮শ পাউন্ড। লন্ডনে একইরকমের একটি বাড়িতে থাকতে গেলে ২ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত ভাড়া গুনতে হতো। আর নিউ ইয়র্কে আরও বেশি।’
এদিকে মার্সারের তালিকা অনুযায়ী এশিয়ায় সবচেয়ে বসবাসযোগ্য ৫টি শহরের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। আর পরের চারটি শহরই জাপানের। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
/এফইউ/








