ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে ল’ইয়ারস কালেক্টিভ (এলসি)-এর বিরুদ্ধে ফরেন কন্ট্রিবিউশন (রেগুলেশন) অ্যাক্ট, ২০১০ লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ বিষয়ে এলসি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে প্রতিবাদ। বিবৃতিটি ভাষান্তর করে বাংলা ট্রিবিউনের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
এলসি একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান। ভারতের সংবিধানে বর্ণিত নাগরিকদের জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা, আইনি সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান, আইন বিষয়ক সেমিনার ও আলোচনা সভা আয়োজন এবং আইনী সংস্কারের জন্য প্রচারণা চালানোর মধ্যদিয়ে জনগণের গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে। গত ৩৫ বছরে সংবিধান এবং আইন পরিপন্থী কোনও কাজ করেনি এলসি। যেমনটা প্রতিষ্ঠানটির গঠনতন্ত্রেই বর্ণিত আছে।
এলসি-র কাজের প্রভাব ছিল বেশ বড় মাপের আর তা বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে। প্রটেকশন অব উইম্যান ফ্রম ডমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যাক্ট, ২০০৫ বাস্তবায়ন অথবা এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণকে চ্যালেঞ্জ করা (বোম্বে হাই কোর্ট, ১৯৯৭) ছিল এলসি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এলসি আইনজীবীদের দল ৩৭৭ ধারার বিরুদ্ধে সব সময়েই ছিল সোচ্চার, যে আইনটি সমলৈঙ্গিক সম্পর্ককে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে, সেই সাথে ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় এবং অধিকারকে বৈধতা দেয় না। সেই সাথে জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ এবং কর্মনীতি ও কর্মসূচী নির্ধারণের ক্ষেত্রে এলসি বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গেও কাজ করেছে।








