বিশ্ববিদ্যালয় মুক্ত ও স্বাধীন জ্ঞান চর্চার ক্ষেত্র হলেও রাজ্যের পিএইচডি শিক্ষার্থীদের দিয়ে প্রশাসনিক গবেষণার কাজ করিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ভারতের গুজরাট সরকার। এরইমধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বেছে নেওয়ার জন্য ৮২টি বিষয় পাঠানো হয়েছে। তবে রাজ্য সরকারের এ উদ্যোগকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না অনেক শিক্ষাবিদ। তাদের মতে, যাদের মুক্ত জ্ঞান চর্চা করার কথা, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কর্মসূচির সমালোচনা করার কথা, ওই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে সেই তাদের চাকর বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে রাজ্য সরকারের পাঠানো বিষয়াবলী থেকে পিএইচডি শিক্ষার্থীরা যেন অন্তত ৫টি করে টপিক বেছে নেন, সে বিষয়টি যেন নিশ্চিত করা হয়।রাজ্য সরকার গবেষণার জন্য যে বিষয়গুলো পাঠিয়েছে তার মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমূলক স্কিম ও কর্মসূচি রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বচ্ছ ভারত অভিযান প্রকল্প, কন্যা কেলাভানি, গুনতসায় এবং এমএ জোজনা ও সরদার প্যাটেল আওয়াজ যোজনার মতো গুজরাটের মডেল স্কিম। আরও পড়ুন: ভয় পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট সিসি, আরেক বসন্তের দ্বারপ্রান্তে মিসর!
এসব প্রকল্পের সঙ্গে যায়, এমন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন পিএইচডি শিক্ষার্থীরা। গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর এ ইউ প্যাটেল বিশ্বাস করেন, গুজরাট সরকারের এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদেরকে তাদের থিসিসের জন্য ‘প্রাসঙ্গিক পূর্বানুমান’ বেছে নিতে সহায়তা করবে। আরও পড়ুন: পুরুষ মডেলের আদলে মোনালিসাকে এঁকেছিলেন ভিঞ্চি!
রাজ্য সরকারের এ উদ্যোগকে এ ইউ প্যাটেল স্বাগত জানালেও এ উদ্যোগকে ভালো চোখে দেখছেন না এমন শিক্ষাবিদদের সংখ্যা অনেক। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, শিক্ষাবিদরা মনে করছেন এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রের চাকর বানানো হচ্ছে অথচ তাদের কাজ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভিন্ন কল্যাণমূলক কমর্কাণ্ডের পর্যালোচনা করা। সূত্র: হাফিংটন পোস্ট
/এফইউ/বিএ/








