তাঞ্জানিয়ার ফেরিডুবির ঘটনার দুইদিন পর শনিবার এক যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের এই ফেরিডুবির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে। শনিবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৭ জনে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম টিবিসি নিহতের সংখ্যার কথা জানিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, ডুবে যাওয়া ফেরির আশেপাশে লাশ ভেসে উঠছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, ফেরিতে তিন শতাধিক মানুষ ছিলেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার প্রাথমিকভাবে ৪৪ জনের লাশ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রাতে বিরতির পর শুক্রবার সকালে লেকে ফের উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার পর বাড়তে থাকে লাশের সংখ্যা। শুক্রবার জানানো হয়েছিল নিহতের সংখ্যা ১৩৬ জন। ওই সময়েই নিহতের সংখ্যা দুইশো পেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছিল।
এক প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানান, শনিবার ভোরে নৌবাহিনীর চার ডুবুরি ডুবে যাওয়া ফেরি এমভি নিয়েরেরে থেকে শব্দ শুনতে পান। এতে তাদের ধারণা জীবিত কেউ রয়েছেন। তখন তাকে উদ্ধার করার পর দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। এই ব্যক্তির সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানা যায়নি।
ফেরিডুবিতে বেঁচে যাওয়া চার্লস গারিমা বলেন, ফেরিটি খুব দ্রুত উল্টে গিয়ে আমাদের ঢেকে ফেলে। আমি ভাগ্যবান ছিলাম। আমি পানির নিচে সাঁতার কাটতে শুরু করি, জানতাম না কোথায় যাচ্ছি। সাঁতারের সময় ধারালো ধাতুর ছোঁয়া লেগে আমার মুখ ও মাথার পেছন কেটে গেছে।
বেঁচে যাওয়া আরেক যাত্রী জেনিফার ইদোজ ফেরিডুবির জন্য অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইকে দায়ী করছেন। তিনি বলেন, আমি লাফিয়ে ফেরি নামতে পেরেছিলাম। এভাবেই আমি বেঁচে যাই।
দেশটির শ্রম, পরিবহন ও যোগাযোগমন্ত্রী আইজ্যাক কেমওয়েলউই জানান, উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতার জন্য সরকার বিশেষ সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে।
এর আগে শুক্রবার দেশটির প্রেসিডেন্ট জন মাগুফুলি দুর্ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।








