পেরুর বেশ কয়েকটি অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ জনে। বন্যায় শনিবার কয়েকটি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বন্য কবলিত এলাকার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। উপদ্রুত এলাকার মানুষের মধ্যে খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
শনিবার দেশটির সরকার জানিয়েছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় ৭২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। উপকূলে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের পর বেশ কয়েকটি খালি নদীখাত থেকে হঠাৎ পানি উপচে পড়ে।
শুক্রবার রাজধানীর উপকণ্ঠের বাসিন্দারা ঘুম থেকে জেগে দেখতে পান তাদের চারপাশ পানিতে তলিয়ে গেছে। শহরটিতে ১ কোটি লোকের বাস।
বৃহস্পতি ও শুক্রবার উত্তরাঞ্চলীয় অটুজকো শহরে ভূমিধসে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে সাতজন একটি ট্রাকে ছিল। ভূমিধসে ট্রাকটি চাপা পড়ে।বেশ কয়েকজনকে ভূমিধসে চাপাপড়া অবস্থায় পাওয়া গেছে। ভূমিধসে লিমার সঙ্গে দেশটির মধ্যাঞ্চলকে সংযোগকারী প্রধান মহাসড়কটির একটি অংশ আটকে গেছে।
এল নিনোর প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিপাতে এই বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পুনর্গঠনে সরকার ৭৬ কোটি মার্কিন ডলার জরুরি তহবিল ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। পাঁচ লাখের বেশি লোক এই সহায়তা পাবেন।
জাতীয় জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্র জানিয়েছে, পেরুতে চলতি বছরের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এতে মধ্যে মোট ৭২ হাজার ১১৫ জন তাদের বাড়িঘর হারিয়েছে। সূত্র: বিবিসি।
/এএ/








