প্রবাসীদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে দামি শহরের তালিকায় উঠে এলো হংকংয়ের নাম। কনসাল্ট্যান্সি ফার্ম মারসার-এর বাৎসরিক জরিপ অনুযায়ী, ওই তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।
ব্রেক্সিট বা ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়টি সামনে আসায় লন্ডনের স্থান এবার ১৭তম, যা গত বছর ছিল ১২তম। অর্থাৎ এখান ব্রিটেনের রাজধানী নিউ ইয়র্ক, বেইজিং, টোকিও এবং জুরিখ থেকে সস্তা।
ব্রিটেনের অন্যান্য শহরও তুলনামূলক সস্তা হয়েছে। বার্মিংহাম এবং গ্লাসগোর অবস্থান এখন যথাক্রমে ১৬ ও ১০ ধাপ পিছিয়ে এখন ৯৬তম এবং ১১৯তম।
তালিকায় থাকা সবচেয়ে সস্তা তিনটি শহর হলো নামিবিয়ার উইন্ডহোয়েক, দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন এবং কিরগিজস্থানের বিশকেক শহর।
উল্লেখ্য, ৫টি মহাদেশের ২০৯টি শহরে ওই জরিপ চালানো হয়। এক কাপ কফির দাম, এক বোতল বিয়ারের দাম, তা পরিবহনে কতো খরচ হচ্ছে, এমন ২০০টি বিষয়ের ওপর ওই জরিপ চালানো হয়। বৃহৎ কোম্পানিগুলোর খরচসহ কর্মীদের বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সহায়ক ওই তালিকা তৈরির কাজটা মারসার ২২ বছর ধরে করে আসছে।
মারসারের তথ্যমতে, বাড়ি ভাড়াই হলো সবচেয়ে বড় খরচের ক্ষেত্রগুলোর একটি। আবার বাড়ি বা ফ্ল্যাটের অবস্থান হতে হবে শহরের একটি সুবিধাজনক স্থানে। সেই সঙ্গে বাড়ির নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। আর এজন্যই দামি শহরগুলোতে বসবাস করাটা এতোটা খরুচে।
মারসার-এর মুখপাত্র এলিন কারেটনিক বলেন, ‘যদিও ডলারের বিপরীতে ইউরো এখনও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, কিন্তু ব্রেক্সিটের কারণে পাউন্ডের মান অনেকখানি নেমে গেছে। তবে মুদ্রার মান উঠা-নামাটা খরচের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্থানীয়ভাবে সম্পদের দামের উচ্চমানও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে সামনে আসতে পারে।’ সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
/এসএ/বিএ/
/আপ-এএ/








