রাখাইনে রোহিঙ্গা নিপীড়ন নিয়ে জাতিসংঘের একটি তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসামরিক নাগরিক রক্ষায় মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেত্রী ও নোবেল জয়ী অং সান সু চি সরকার প্রধান হিসেবে নিজের ক্ষমতা কাজে লাগাননি অথবা তাদের রক্ষায় দায়িত্ব পালনে বিকল্পও অনুসন্ধান করেননি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।
সোমবার জাতিসংঘ এই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। জাতিসংঘের তদন্ত কমিটিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল মারজুকি দারুসমান। কমিটি ২০ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সু চি বেসামরিক মানুষদের রক্ষায় সরকার প্রধান হিসেবে নিজের ডি ফ্যাক্টো অবস্থান বা নৈতিক কর্তৃত্ব ঘটনায় বাধা ও প্রতিরোধ করতে কাজে লাগাননি। কিংবা জনগণকে রক্ষার দায়িত্ব পালনে বিকল্প পন্থাও অনুসন্ধান করেননি।
জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে সু চির ব্যর্থতার বিষয়ে তার মুখপাত্রের যোগাযোগ করতে পারেনি ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, তিনি এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য করতে পারছেন না।
প্রতিবেদনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাং এবং আরও পাঁচজন জেনারেলের রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর জন্য বিচারের মুখোমুখি করা উচিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাঁচ জেনারেলের এজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অং অং। যার নেতৃত্বে ৩৩তম লাইট ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন পরিচালিত হয়। এই জেনারেলের অধীনস্ত এলাকা উপকূলীয় গ্রাম ইন দিনে ১০ রোহিঙ্গাকে ধরে হত্যা করা হয়েছিল।
সোমবার রয়টার্সের পক্ষ থেকে জিন অং ও অং অংয়ের মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক মিয়ানমার সেনাপ্রধানসহ বেশ কয়েকজনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ নিষিদ্ধ করেছে।








