জান্তা সরকারের টার্গেটে মিয়ানমারের বিশ্ববিদ্যালয়, বহিষ্কার ১১ হাজার

বিদেশ ডেস্ক
১০ মে ২০২১, ১৫:৪৯আপডেট : ১০ মে ২০২১, ১৬:২৩
image

সেনা শাসনের প্রতিবাদে ধর্মঘট পালন করায় মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তা সরকার ১১ হাজারের বেশি অ্যাকাডেমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মীকে বহিষ্কার করেছে। দেশটির শিক্ষকদের একটি গ্রুপ এই তথ্য জানিয়েছে বলে খবর দিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে এক বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি মিয়ানমারের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়া হয়। তবে গত ১ ফেব্রুয়ারির সেনা অভ্যুত্থানের বিরোধিতায় নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী ও শিক্ষার্থীরা। এরপরই হাজার হাজার অ্যাকাডেমিক ও কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়।

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭ বছর বয়সী এক রেক্টর বলেন, ‘আমার এতো ভালোবাসার একটা কাজ ছেড়ে দিতে হচ্ছে বলে খারাপ লাগছে কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাড়াতে পেরে গর্ব অনুভব করছি।’ তিনি বলেন, ‘আজ আমাকে আমার বিভাগ তলব করেছিলো। আমি যাচ্ছি না। আমরা মিলিটারি কাউন্সিলের আদেশ মানবো না।’

যুক্তরাষ্ট্রে ফেলোশিপে থাকা এক প্রফেসর জানিয়েছেন তাকে বলা হয়েছে যে ধর্মঘটের বিরোধিতার ঘোষণা দিতে হবে, না হলে তাকে চাকরি হারাতে হবে। তার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব স্কলারকে জানিয়ে দিয়েছে যে তাদের প্রত্যেককেই তদারকি করা হবে এবং এর মধ্য থেকে যেকোনও একটি বেছে নিতে বলা হবে।

মিয়ানমার টিচার’স ফেডারেশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোমবার পর্যন্ত ১১ হাজার অ্যাকাডেমিক এবং বিভিন্ন কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ২০১৮ সাল পর্যন্ত মিয়ানমারের বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ছিলো।

মিয়ানমারের প্রায় অর্ধ শতাব্দির সেনা শাসনের বিরোধিতায় সামনের কাতারে ছিলো শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। গত ১ ফেব্রুয়ারি অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধেও জোরালো ভূমিকা রাখছে তারা।

নাগরিক অসহযোগ আন্দোলনে যুক্ত হয়ে বহু শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারি কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে মিয়ানমার। বিক্ষোভ বাড়তে থাকায় নিরাপত্তা বাহিনী ইয়াঙ্গুনসহ বড় বড় শহরের ক্যাম্পাসগুলো দখল করে নেয়।

/জেজে/বিএ/
সম্পর্কিত
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা কে এই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম