শ্রীলঙ্কায় ২০১৯ সালে ইস্টার সানডের দিনে বোমা হামলায় ২৫ অভিযুক্তের বিচার শুরু হয়েছে। তিনটি হোটেল ও তিনটি চার্চে চালানো ওই হামলায় ২৬৭ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হয়। সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে ২৩ হাজারের বেশি অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় স্বাক্ষী করা হয়েছে এক হাজার ২১৫ জনকে।
তবে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা এতো বিপুল পরিমাণ অভিযোগ ও প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী আনার যৌক্তিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। তারা এই বিচারকে নিরর্থক চর্চা আখ্যা দিয়েছেন।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে হত্যার ষড়যন্ত্র, হামলায় সহায়তা ও প্ররোচণা এবং অস্ত্র ও বিস্ফোরক সংগ্রহ। হামলা চালানো আট আত্মঘাতী হামলাকারী বিস্ফোরণে নিহত হয়।
তবে তাদের সহযোগী এবং আত্মীয়দের হামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন দুই আত্মঘাতী হামলাকারীর বাবা এবং ইসলামিক স্টেট এর সদস্য হিসেবে সন্দেহভাজন এক শ্রীলঙ্কার নাগরিক।
মামলায় সম্পৃক্ত আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বিপুল পরিমাণ অভিযোগ এবং অতিরিক্ত স্বাক্ষীর কারণে এই বিচার শেষ হতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে।
ছয় অভিযুক্তের প্রতিনিধিত্ব করা আইনজীবী নুরদীন শাহেদ বলেন, ‘এটা এক নিরর্থক চর্চা হওয়ায় এতে কোনও ফল আসবে না।’ তিনি বলেন, ‘২৫ সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে ২৩ হাজার অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এটা খুবই অস্বাভাবিক।’
২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল ইস্টার সানডে’র দিনে তিনটি চার্চ এবং তিনটি পাঁচ তারকা হোটেল লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হলে ৪৫ বিদেশি নাগরিকসহ ২৬৭ জন নিহত হয়। হামলায় আহত পাঁচ শতাধিক মানুষের বেশিরভাগই শ্রীলঙ্কার সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের।








