দক্ষিণ কোরিয়ার পর্যটন দ্বীপ জেজুতে তুষারঝড়ে সোমবার প্রায় ৯০ হাজার মানুষ আটকা পড়েছেন। দ্বীপটিতে তিন দশকের মধ্যে এ বছর সবচেয়ে ভয়াবহ তুষারঝড় আঘাত হেনেছে। এই ঘটনায় টানা তিন দিনের জন্য বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার হাওয়াই হিসেবে খ্যাত দ্বীপটির আবহাওয়া সাধারণত উষ্ণ থাকে।
জেজুতে গত এক সপ্তাহ ধরে তীব্র ঠাণ্ডা আবহাওয়া বিরাজ করছে। এ সময় দেশটি কম তাপমাত্রার দিক দিয়ে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।
শনিবার থেকে জনপ্রিয় এই অবকাশযাপন কেন্দ্রটিতে তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভারী তুষারপাত হয়েছে। এ সময় তাপমাত্রা হ্রাস পেয়ে হিমাঙ্কের ৬.১ ডিগ্রি নিচে নেমে গিয়েছিল।
ভারী তুষারপাত ও শক্তিশালী বাতাসের কারণে জেজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি সোমবার কিছু সময়ের জন্য বন্ধ ছিল। পরে অবশ্য সেটি খুলে দেওয়া হয়।
একজন কর্মকর্তা বলেন, সপ্তাহান্তে ও সোমবার প্রায় ১ হাজার ১০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এতে দ্বীপটিতে বেড়াতে আসা প্রায় ৮৬ হাজার মানুষ আটকা পড়েছেন।
কয়েক হাজার মানুষ প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে বিমানবন্দরেই রাত কাটাতে বাধ্য হন। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা মেঝে এড়াতে কার্ডবোর্ড বাক্সের ওপর কম্বল ভাঁজ করে পেতে তার ওপর রাত কাটান অনেকে।
রাজধানী সিউলে তুষারপাত না হলেও রবিবার সেখানে ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঠাণ্ডা পড়ে। সেখানে তাপমাত্রা ছিল হিমাঙ্কের ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে।
শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় আবহাওয়া সংস্থা সিউলে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা সংকেত জারি করে। পাঁচ বছরের মধ্যে এই প্রথমবার দেশটিতে এ বার্তা জারি করা হয়। সূত্র: ইয়াহু।
/এমপি/








