পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রচারণা চালানোয় সন্দেহভাজন হিসেবে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফআইএ)। পাকিস্তানের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে এসব প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান খানের ক্ষমতাচ্যুতির পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে প্রচার শুরু হয়। ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের হাজার হাজার সমর্থক টুইট বার্তায় ক্ষমতাচ্যুতির নিন্দা জানান। শাহবাজ শরিফের সরকারকে ‘আমদানি করা সরকার’ আখ্যা দিয়ে তাদের মেনে না নেওয়ার ডাক দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নির্দেশনায় ‘ক্ষতিকর প্রচারণায়’ জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী। এই অভিযানে প্রথমে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে এফআইএ’র সন্ত্রাসবাদবিরোধী শাখা আরও সাত সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে।
এসব সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে মোট নয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া ইসলামাবাদ থেকে প্রতিদিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সেনাবাহিনীবিরোধী প্রচারণার ‘মাস্টারমাইন্ড’ এবং তার নেটওয়ার্কের ছয় সদস্যকে লাহোরের সাবজাবাজার এলাকা থেকে প্রথমে গ্রেফতার করা হয়। এই নেটওয়ার্কের অধীনে ২১ হাজার টুইটার অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলে জানা গেছে।









