পাকিস্তানের পেশাওয়ারে পুলিশ লাইন্স এলাকার ভেতরে একটি মসজিদে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ২৮ জন নিহত ও দেড় শতাধিক আহত হয়েছেন। জোহরের নামাজের সময় এই শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জিও টিভি হামলাটি আত্মঘাতী বলে উল্লেখ করেছে। বিস্ফোরণ নিয়ে এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানও প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যমটি।
ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, বিস্ফোরণটি যখন ঘটে তখন তিনি মসজিদে যাচ্ছিলেন। তার কথায়, এটি ছিল শক্তিশালী একটি বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের পর চারদিকে শুধু ধোঁয়া ছিল।
তিনি বলেছেন, জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর দেখতে পান মসজিদের ছাদ ধসে পড়েছে।
ওই ব্যক্তি আরও বলেন, বিস্ফোরণের সময় মসজিদের ভেতরে অন্তত ১২০ জন মানুষ ছিলেন। এটি ছিল আত্মঘাতী হামলা। কারণ হামলাকারী মসজিদের ভেতরে ছিল। জোহরের নামাজ শুরু হওয়ার পরপরই বিস্ফোরণটি ঘটে। আহতদের মধ্যে অনেকেই পুলিশ সদস্য।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে মসজিদে বিস্ফোরণে নিহত ২৮, আহত দেড় শতাধিক
মসজিদটিতে নিয়মিত নামাজ আদায় করা সিভিল সেক্রেটারিয়াট অ্যাসোসিয়েশন পেশাওয়ারের সভাপতি তাসাবুর ইকবাল বলছেন, পুলিশ লাইন্স এলাকায় নিরাপত্তা সব সময় কঠোর থাকে। দেহ তল্লাশি ও আইডি কার্ড প্রদর্শন ব্যতীত কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না।
তিনি বলেন, আজ এখানে এমন ঘটনা ঘটেছে, এটি দুঃখজনক। এটি অনেক বড় মসজিদ। একসঙ্গে ৪০০-৫০০ মুসল্লীর জায়গা হয়। আমরা শুনছি যে বিস্ফোরণের পর মসজিদ ভবন ধসে পড়েছে।
এক সাংবাদিক বলেছেন, পেশাওয়ারের এই স্থানটি সবচেয়ে সংবেদনশীল। এখানে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর প্রচুর সদস্য সব সময় উপস্থিত থাকে। খাইবার পাখতুনখাওয়ারর কাউন্টার টেরোরিজম ডিপার্টমেন্ট ও পুলিশের তদন্ত শাখার কার্যালয় রয়েছে এখানে। সাধারণত পুলিশ সদর দফতরে ১ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকে।
তিনি আরও বলেন, মসজিদে পৌঁছাতে অন্তত দুটি চেক পোস্ট পার হতে হয়। আত্মঘাতী হামলাকারী তিন বার তল্লাশীর পরও মসজিদে প্রবেশ করতে পেরেছে।









