অবশেষে অভিশংসিত হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৬:০৫আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৬:০৫

কয়েকদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর অবশেষে অভিশংসিত হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। সামরিক আইন জারির ব্যর্থ প্রচেষ্টার দায়ে শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) তাকে অভিশংসিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

এদিন দেশটির আইনপ্রণেতারা প্রেসিডেন্ট ইউনকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর ভোট শেষে বিরোধীরা ‘জনগণের বিজয়’ হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

৩০০ সাংসদের মধ্যে ২০৪ জনই প্রেসিডেন্টের অভিশংসনের পক্ষে এবং ৮৫ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। তিনজন অবশ্য ভোটদানে বিরত ছিলেন। আর বাতিল হয়েছে আটটি ভোট।

ভোট শুরুর আগে কয়েক হাজার মানুষ ইউনের পক্ষে ও বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী সমাবেশে রাজধানী সিউলের রাস্তায় নেমেছিল।

অভিশংসনের সঙ্গে সঙ্গে ইউনকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আর দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন নেতা এখন প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু।

ইউনের ভবিষ্যত নিয়ে রায় দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে এখন আরও ১৮০ দিন পর্যন্ত সময় রয়েছে।

অভিশংসন পাসের জন্য দুই শতাধিক ভোটের প্রয়োজন ছিল। আর জন্য বিরোধী আইনপ্রণেতাদের ইউনের রক্ষণশীল পিপল পাওয়ার পার্টির (পিপিপি) অন্তত আটজন সংসদ সদস্যকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দিতে রাজি করানো দরকার ছিল।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের অভিশংসন উপলক্ষে সিউলে জনতার ভীড়। ছবি: এপি

এর আগে, সিউলের একজন পুলিশ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছিলে, প্রেসিডেন্টের অভিশংসন সমর্থন করে এমন অন্তত ২ লাখ মানুষ সংসদের বাইরে জমায়েত হয়েছিল।

সিউলের অন্য দিকে গওয়াংওয়ামুন স্কয়ারের কাছে পুলিশের অনুমান মতে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ ইউনের পক্ষে সমাবেশ করেছিল। এ সময় তারা দেশাত্মবোধক গান বাজায় এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকান পতাকা নেড়েছিল।

ভোটের আগে ৬২ বছর বয়সী সমর্থক চোই হি-সান এএফপিকে বলেন, ‘সামরিক আইন জারি করা ছাড়া ইউনের আর কোনও বিকল্প ছিল না। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমি তার প্রতি সম্মতি জানাই।’

/এএকে/
সম্পর্কিত
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
সর্বশেষ খবর
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৭টি ওয়ার্ড
ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৭টি ওয়ার্ড
রামিসা হত্যা: সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ, লঘুদণ্ডের দাবি আসামিপক্ষের
রামিসা হত্যা: সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ, লঘুদণ্ডের দাবি আসামিপক্ষের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের