নিজেদের অস্ত্র সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে এক নতুন মডেলের আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। একই সঙ্গে কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আক্রমণের একটি মহড়াও পরিচালনা করেছে দেশটি। বৃহস্পতিবার দেশটিরাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহে ক্লাস্টার বোমা, আক্রমণকারী ড্রোন, নিখুঁতভাবে নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম টর্পেডো এবং মাঝারি পাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালায় উত্তর কোরিয়া। তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার এ নতুন পরীক্ষা চালানো হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার সোন্দোক এলাকা থেকে জাপান সাগরের দিকে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়টি তারা শনাক্ত করেছে।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটির নতুন উপাদান এবং বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন মাল্টিপল গাইডেড মোডের কারিগরি বৈশিষ্ট্য ও নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণিত হয়েছে। এটি লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও পিছু ধাওয়ার ক্ষমতার পাশাপাশি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রের নির্ভরযোগ্যতাও সফলভাবে প্রমাণ করেছে।
এ ছাড়া বুধবার পূর্ব উত্তর কোরিয়ার একটি দূরপাল্লার কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট একটি কাল্পনিক বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার মহড়া সম্পন্ন করেছে। কেসিএনএ জানায়, এই দুই অনুশীলনের মূল লক্ষ্য ছিল অস্ত্র ব্যবস্থাকে উচ্চমানে রাখা ও যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশলগত অস্ত্রের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো।
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে না। শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের কাছাকাছি সময়ে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পুরোনো ইতিহাস রয়েছে পিয়ংইয়ংয়ের। চার বছর আগের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং দু’বছর আগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ও একই ধরনের পরীক্ষা চালিয়েছিল দলটি।
বর্তমানে সিউল ও ওয়াশিংটনের প্রতি কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে পিয়ংইয়ং। ল্যান্ডমাইন বিরোধে দুই কোরিয়ার সম্পর্ক নতুন করে তলানিতে ঠেকেছে। অন্যদিকে কিম জং উনের ক্ষমতাধর বোন স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফের আলোচনায় বসতে তাদের কোনও আগ্রহ নেই।
সূত্র: এএফপি
কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডেমোক্র্যাটরা কী করতে পারবে, কী পারবে না
দালাল স্ট্রিটে উৎসব, এক ঘণ্টায় লাভ ৭ লাখ কোটি রুপি