কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার জন্য আয়োজিত গণভোটের এক বছর পূর্তিতে বার্সেলোনাসহ বিভিন্ন শহরের রাস্তায় স্পেন হতে আলাদা হওয়ার দাবিতে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। শুধু বার্সেলোনাতেই এক লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভে যোগ দেন। কাতালান আঞ্চলিক পার্লামেন্টের সামনে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ব্যাটন চার্জ করে। কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী দ্রুত গতির রেল লাইন দখল করে রাখেন কয়েক ঘণ্টা। অবরোধ করে রাখায় সড়ক ও যান চলাচলের রাস্তা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এখবর জানিয়েছে।
২০১৭ সালের ১ অক্টোবর স্বাধীনতাপন্থী কাতালোনিয়ার আঞ্চলিক সরকার এক গণভোটের আয়োজন করেছিল। কিন্তু স্পেন সরকার ও দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করে। এরপরও গণভোট আয়োজন করা হয়। পুলিশ জনগণকে ভোটদানে বিরত রাখার চেষ্টা। ওই সময় স্পেনের পুলিশ জনগণকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। গণভোটের রায়কে সমর্থন করে কাতালোনিয়া সরকার পরে আঞ্চলিক পার্লামেন্টে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়। স্পেন সরকার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাপন্থীদের দেশদ্রোহী আখ্যা দিয়ে মামলা করে ও আঞ্চলিক সরকার ভেঙে দেয়।
গণভোটের এক বছর পূর্তি স্বাধীনতাকামী কমিটিজ ফর দ্য ডিফেন্স অব দ্য রিপাবলিক (সিডিআরএস) নামের সংগঠন বিক্ষোভের ডাক দেয়। তারা স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা দাবি করে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বার্সেলোনা ও ফিগুয়ের শহরের রেল পথ অবরোধ করা হয়। এছাড়া উপকূলীয় শহর থেকে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদগামী সড়কও অবরোধ করে তারা।
সিডিআরএস’র পক্ষ থেকে লন্ডন, প্যারিসহ বিভিন্ন দেশেও বিক্ষোভ করা হয়।
জুন মাসে স্পেন কাতালোনিয়ার সরাসরি শাসনের ইতি টানে। সেখানে নতুন জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করেন কুইম টরার নেতৃত্বে।
এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে টরা বিক্ষোভকারীদের চাপ অব্যাহত রাখার জন্য প্রশংসা করেছেন।
স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ বোরেল বলেছেন, কাতালোনিয়ার শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব টরা ও তার আঞ্চলিক সরকারের দায়িত্ব।








