উত্তর মেসিডোনিয়ায় প্রবেশ করতে ইচ্ছুক কয়েক শ’ অভিবাসীর সঙ্গে গ্রিসের পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে অভিবাসীদের জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে—এমন গুজবের জের ধরে উত্তরাঞ্চলীয় শহর থেসালোনিকিতে কয়েক শ’ অভিবাসী জড়ো হন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
দিয়াভাটা শরণার্থী শিবির থেকে বিশৃঙ্খলার সূত্রপাত ঘটে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এথেন্সের লারিসা স্টেশনে অভিবাসীদের বিক্ষোভের ফলে রেল সেবা স্থগিত করা হয়েছে।
এসব অভিবাসীর বেশিরভাগই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের নাগরিক। দিয়াভাটা শরণার্থী শিবির থেকে অভিবাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে লাঠি ও পাথর ছোড়ে। জবাবে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে অভিবাসীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় তারা।
দিয়াভাটা শিবিরে রাতে প্রায় ৬০০ অভিবাসী অবস্থান করে। সকালে উত্তরে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দিলে সংঘর্ষ বাধে।
২০১৫ সালে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত তুরস্ক থেকে গ্রিসে হাজার হাজার শরণার্থী ও অভিবাসী যাচ্ছে। এজিয়ান সাগর দিয়ে তুরস্ক থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথ ছোট হলেও বিপজ্জনক। প্রতিদিন শত শত মানুষ এভাবে সাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে।
২০১৬ সালে তুরস্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তারপর থেকে এভাবে গ্রিসে যেতে চাওয়া অভিবাসী ও শরণার্থীর সংখ্যা কমে এসেছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, যদি গ্রিসের আইন অনুযায়ী গ্রিসে গিয়ে পৌঁছানো কোনও অভিবাসী বা শরণার্থী দেশটির আইন অনুযায়ী শরণার্থীর মর্যাদা না পায় তাহলে তাদের তুরস্কে ফেরত পাঠানো হবে। কিন্তু যেহেতু বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লেগে যায়, সেহেতু গ্রিসের দ্বীপগুলোতে ক্রমেই ভিড় বেড়ে চলেছে।








