ইউরোপীয় দেশ নেদারল্যান্ডসে রবিবার থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত ছড়ানোর ফলে বড়দিন ও নিউ ইয়ার উৎসবে আরও বেশ কয়েকটি দেশ বিধিনিষেধ জারি করতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে হোয়াইট হাউজের মেডিক্যাল উপদেষ্টা অ্যান্থনি ফাউচি জনগণকে বুস্টার ডোজ নেওয়ার এবং পাবলিক প্লেসে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ওমিক্রনে টিকা নেওয়া মানুষদেরও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকছে।
নেদারল্যান্ডসে লকডাউন জারির ফলে নগর কেন্দ্রগুলো জনমানবশূন্য হয়ে পড়েছে। এই লকডাউনে স্থানীয়দের বড়দিনের পরিকল্পনাকে এলোমেলো করে দিয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে এই লকডাউন জারির ঘোষণা দেন। ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অত্যাবশ্যক ছাড়া সবকিছু বন্ধ থাকবে।
গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয় উচ্চ সংক্রমণশীল ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। এরই মধ্যে তা বিশ্বের ৮৯টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে বলে শনিবার জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানিয়েছে, স্থানীয়ভাবে বা কমিউনিটি সংক্রমণে প্রতি ৩ দিনে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা দেড়গুণ হচ্ছে। তবে ভ্যারিয়েন্টটিতে আক্রান্ত হওয়ার রোগের ভয়াবহতা নিয়ে এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।
নেদারল্যান্ডস ঝুঁকির পথে না দিয়ে লকডাউন জারি করলেও ইউরোপের বেশ কয়েকটি সরকার বিধিনিষেধ জারির কথা বিবেচনা করছে। এমন সময়ে তারা এটি বিবেচনা করছেন যখন মানুষ কেনাকাটা, বিনোদন ও ভ্রমণে অর্থ ব্যয় করেন।
শনিবার ব্রিটেনে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা উল্মফন ঘটেছে। একদিনেই ১০ হাজারের বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ওমিক্রন আক্রান্ত শনাক্ত হলো।
ইতালির সরকার ছুটির সময়ে সংক্রমণ বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।
ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ঠেকাতে ব্রিটেনের প্রায় সব ধরনের ভ্রমণকারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জার্মানি। এর আগে এমন পদক্ষেপ নিয়েছে ফ্রান্স ও নরওয়ে।









