ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার পদক্ষেপের বিষয়ে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। ৩১ জানুয়ারি সোমবার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেই এর আয়োজন করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেন ও রাশিয়ার সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই এ আলোচনায় বসছে এ নিরাপত্তা পরিষদ। গুরুত্বপূর্ণ সবকটি পক্ষই এতে অংশ নেবে।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ইউরোপীয় সদস্য ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও আলবেনিয়াসহ নিরাপত্তা পরিষদের ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র তাদের অবস্থান জানাবে। নিয়ম অনুযায়ী, ইউক্রেনও তার বক্তব্য উপস্থাপন করবে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড বলেছেন, রাশিয়ার পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা এবং জাতিসংঘের সনদের জন্য একটি স্পষ্ট হুমকি। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের অবশ্যই তথ্যগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে অবশ্য এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর দিমিত্রি পলিয়ানস্কি। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা পরিষদের একজন সদস্য অন্য কোনও দেশের পক্ষ থেকে হুমকি হিসেবে নিজের ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অনুমান নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়ার এমন আরেকটি ঘটনা আমি মনে করতে পারছি না। আশা করি, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সুনামের জন্য লজ্জাজনক এই স্পষ্ট প্রচারণামূলক অবস্থানকে সংস্থার সদস্যরা সমর্থন করবেন না।’








