মিত্র পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে মঙ্গলবার রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান। তবে ইউক্রেন ইস্যুতে উত্তেজনার মধ্যেই তার এ সফর নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
এমন সময়ে তার এ সফরের সমালোচনা করেছে ইউক্রেনের সরকারবিরোধীরা। ইউরোপের অন্য দেশগুলোও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিচ্ছে না।
ইউরোপীয় ইউনিয়নে এরইমধ্যে পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন ভিক্টর অরবান। আঞ্চলিক এই জোটের অন্য নেতারা যখন ইউক্রেনের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় রাশিয়ার ‘আগ্রাসী তৎপরতা’র বিষয়ে একটি সমন্বিত অবস্থান তৈরির চেষ্টা করছেন, ঠিক সেই সময়ে পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন অরবান।
তার এই সফর নিয়ে রবিবার একটি বিবৃতি দিয়েছে দেশটির বিরোধী দলগুলো। এপ্রিলের নির্বাচনে অরবানের মোকাবিলায় জোটবদ্ধ ছয় বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে মস্কো যাওয়া কেবল বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।’
১৯৮৯ সালের দিকে প্রথম দেশের জনগণের নজর কাড়তে সমর্থ হন ভিক্টর অরবান। ওই সময়ে একজন তরুণ গণতন্ত্রকর্মী হিসেবে তিনি সোভিয়েত সেনাদের দেশ ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। কিন্তু গত একযুগ ধরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে তিনি পুতিনের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। এর সমান্তরালে ব্রাসেলস তথা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে তার সম্পর্ক আরও ভঙ্গুর হয়ে উঠেছে।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারের দায়িত্ব পালন করছেন নাথালি লোইসিউ। তিনি বলেন, এটা স্পষ্ট যে পুতিন ইউরোপকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছেন। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, ভিক্টর অরবান ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঐক্যের বার্তায় অটল থাকবেন।









