ইউক্রেনে নো ফ্লাই জোন ঘোষণা নিয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার তিনি বলেছেন, তৃতীয় কোনও পক্ষ কর্তৃক ইউক্রেনের আকাশে নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করাকে সশস্ত্র সংঘাতে অংশগ্রহণ হিসেবে বিবেচনা করবে তার দেশ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এপি।
নারী পাইলটদের এক বৈঠকে দেওয়া ভাষণে পুতিন বলেন, রাশিয়া এই অঞ্চলে এমন যে কোনও পদক্ষেপকে হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করবে যা ‘আমাদের সেনাদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।’
তিনি বলেন, যে কেউ এ ধরনের পদক্ষেপের দিকে অগ্রসর হবে তাকে সামরিক সংঘাতের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর প্রতি ইউক্রেনে নো ফ্লাই জোন ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছিলেন। অবশ্য দেশটির এমন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে তারা।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ন্যাটো নো ফ্লাই জোন নিয়ে ভাবছে না কয়েকটি কারণে। প্রথমত, ইউক্রেন কিংবা রাশিয়া কেউই ন্যাটোভুক্ত দেশ নয়। এছাড়া নো ফ্লাই জোন ঘোষণার আরেক অর্থ হলো, রুশ যুদ্ধবিমানে ন্যাটোর হামলা। যা করা হলে পরমাণু শক্তিধর রাশিয়ার সঙ্গে ইউরোপের যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে। সেক্ষেত্রে এ অঞ্চলে আরও বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে।
নো ফ্লাই জোনের দাবি প্রত্যাখ্যান করলেও রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের জনগণের প্রতিরোধের প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, মস্কো যদি ইউক্রেনে পুতুল সরকার বসাতে চায়, তাহলে দেশটির সাড়ে ৪ কোটি মানষ সেটি প্রত্যাখ্যান করবে।









