রাশিয়ার ভাড়াটে ওয়াগনার গোষ্ঠীর বিদ্রোহ চলাকালীন এটির প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিনকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার পরিকল্পনা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এমন পরিকল্পনা থেকে পুতিনকে সরিয়ে আনেন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো। রাশিয়ায় গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা থেকে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট। পুতিনমিত্র লুকাশেঙ্কো এমন মন্তব্য করেছেন। বুধবার (২৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।
শনিবার ওয়াগনার গোষ্ঠীর বিদ্রোহ ঘোষণার পরপরই লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে ফোনালাপে এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন পুতিন। লুকাশেঙ্কো বলেন, ‘তাড়াহুড়ো না করে প্রিগোজিনের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দিয়েছিলাম পুতিনকে। তবে পুতিন বলেছিলেন, এমন আলোচনা অর্থহীন। কেননা যোগাযোগে আগ্রহী নন প্রিগোজিন।’
রুশ প্রেসিডেন্টকে আরও চিন্তা করতে বলেছিলেন লুকাশেঙ্কো। কেননা প্রিগোজিনকে সরিয়ে দিলে তার যোদ্ধাদের বিদ্রোহ করা থেকে দমানো যাবে না।
উল্লেখ্য, প্রিগোজিনের সঙ্গেও দীর্ঘদিনের সখ্যতা রয়েছে লুকাশেঙ্কোর।
পুতিনকে তিনি বলেন, ‘ওয়াগনাররা বেশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। বেলারুশের সামরিক বাহিনীও তাদের মত দক্ষ নয়।’
এর পরপরই প্রিগোজিনের সঙ্গে একটি চুক্তি করেন লুকাশেঙ্কো। চুক্তির কারণে বিদ্রোহ থামিয়ে মস্কো অভিমুখে অভিযান বাতিল করে ওয়াগনার যোদ্ধারা। মঙ্গলবার (২৭ জুন) বেলারুশে পৌঁছান প্রিগোজিন।
সংবাদমাধ্যমে লুকাশেঙ্কোর এমন বক্তব্য নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি ক্রেমলিন।
সূত্র: রয়টার্স







