ট্যাটু আঁকার সুঁচের যন্ত্রণা আর নিতে হবে না। সুই ও রক্তের ভয় কাটিয়ে ব্যথা ছাড়াই স্থায়ী ট্যাটু আঁকার প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্টার্টআপ সাইফার এক্স। প্রতিষ্ঠানটির সিইও ফার্দিনান্দ কোল এই প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন।
ত্বকের ওপর বারবার সুঁচ ফোটানোর শত বছরের পুরনো প্রক্রিয়া বদলে কসমোটোলজিতে ব্যবহৃত মাইক্রোনিডলিং প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে এই ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এতে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সুঁচযুক্ত একটি বিশেষ প্যাচ ব্যবহার করা হয়, যা বিশেষ অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে ত্বকে লাগানো থাকে। মাত্র ১৫ মিনিট প্যাচটি লাগিয়ে রাখলেই রঞ্জক পদার্থ বা পিগমেন্ট ত্বকের উপরিভাগে প্রবেশ করে।
শুরুর দিকে নকশাটি হালকা দেখালেও ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পিগমেন্ট বসে গিয়ে তা স্পষ্ট ও স্থায়ী হয়ে ওঠে। অস্থায়ী ট্যাটুর মতো মনে হলেও এগুলো মূলত স্থায়ী, যা তুলতে সাধারণ ট্যাটুর মতোই লেজার মেশিনের প্রয়োজন হবে।
তবে এই ব্যথাহীন প্রযুক্তির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। বর্তমানে কেবল ১৫ মিলিমিটারের গোলাকার পরিধির ছোট আকৃতির নকশায় এটি সীমাবদ্ধ। হৃদপিণ্ড বা ইমোজির মতো কিছু নির্দিষ্ট নকশা থাকলেও ভবিষ্যতে শিল্পীদের সঙ্গে কাস্টম নকশার কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। এছাড়া পিগমেন্ট হিসেবে বর্তমানে কেবল কালো রঙ ব্যবহার করা যাচ্ছে।
বড় বা রঙিন ট্যাটু আঁকার সুযোগ না থাকলেও যাদের সুঁচের ভয় রয়েছে কিংবা ছোট আকৃতির ট্যাটু আঁকতে চান, তাদের জন্য লন্ডনে চালু হওয়া এই প্রযুক্তি নতুন সমাধান হতে পারে।
সূত্র: ওডিটি সেন্ট্রাল

তুর্কি, সৌদি ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে কী আছে
মৃত সন্তানকে কেন বয়ে বেড়ায় মা ডলফিন






