ভারতের নয়াদিল্লির একটি বাসায় এক পরিবারের ১১ জন সদস্যের চোখবাঁধা ও ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার সকালে বুরারির কাছের এলাকা শান্তনগর থেকে এসব লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
নিহতদের মধ্যে চারজন পুরুষ, তিনজন নারী ও চারজন মেয়ে রয়েছে। ভেন্টিলেটরের সঙ্গে লাগানো একটি লোহার গ্রিলে তাদের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের সবারই কাপড় দিয়ে চোখ বাঁধা ছিল। পুলিশ ধারণা করছে সবাই আত্মহত্যা করেছেন।
এনডিটিভি জানায়, ১০ জনের লাশ ঝুলন্ত ছিল। বৃদ্ধ এক মহিলার লাশ মেঝেতে উদ্ধার করা হয়। তাদের হাত পেছনে বাঁধা ছিল। পরিবারটি প্রায় বিশ বছর ধরে এই এলাকায় বাস করত।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। জানিয়েছেন পুলিশের তদন্ত চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বাড়িটি একজন প্লাইউড ও ডেইরি ব্যবসায়ীর। আনুমানিক সকাল ৮টার দিকে এক প্রতিবেশী ওই ব্যবসায়ীকে ডাকতে গেলে দেখেন দরজা খোলা। তিনি ভেতরে ব্যবসায়ীসহ পরিবারের সবাইকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। ওই প্রতিবেশীই পুলিশকে খবর দেন।
ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, প্রতিবেশী আমাদের বলেছেন সাধারণত নিহতের পরিবারের বাসার দরজা বন্ধ থাকে। কিন্তু রবিবারে খোলা ছিল। আমরা অনুসন্ধানের চেষ্টা করছি ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে অন্য কেউ জড়িত।
ঘটনাস্থলের আশপাশের মানুষদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং সিসিটিভি ফুটেজ স্ক্যান করছে পুলিশ। সেন্ট্রাল রেঞ্জের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার রাজেশ খুরানা জানান, কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।








