ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে। শনিবার দেশটিতে ২৪ ঘন্টায় ৮৬ হাজার ৪৩২ জন আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে ভারতে মোট আক্রান্ত ৪০ লাখ ২৩ হাজার ১৭৯ জন। করোনার সংক্রমণে ভারত বিশ্বের তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, দেশটি এখনও সংক্রমণ শীর্ষ মাত্রা অতিক্রম করেনি।
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৩ লাখের বেশি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে আক্রান্ত ৪১ লাখ।
ভারতে কোভিড-১৯ সংক্রমণে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯ হাজার ৫৬১ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩১ লাখ ৭ হাজার ২২৩ জন। ভারতে এখন অ্যাকটিভ কেস ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৩৯৫। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৮৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৭০ হাজার ০৭২ জন। সুস্থতার হার ৭৭.২৩ শতাংশ। আর মৃত্যুহার ১.৭৩ শতাংশ।
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ভারত সরকার করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের বিধিনিষেধ শিথিল করেছে, যদিও দেশটিতে দ্রুত করোনা সংক্রমন ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বে যে সব দেশে সংক্রমন বাড়ছে ভারত এ গুলোর একটি।
ভারতে প্রতিদিন ৮০ হাজারের বেশী লোক আক্রান্ত এবং ১ হাজারের বেশী লোক মারা যাচ্ছে। মাত্র ১৩ দিনে সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে, এই বৃদ্ধির গতি যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের চেয়ে বেশী। মহামারি এখন গ্রামীণ এলাকা ও দরিদ্রদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে কোন চিকিৎসা সুযোগ সুবিধা নেই। পাশাপাশি দিল্লী ও মুম্বাইয়ের মতো বড় সিটিতে পুনরায় সংক্রমণ বাড়ছে।
ভারতের কোভিড পরিসংখ্যানে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪৪। কোভিড-১৯ সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ২৫ হাজার ৫৮৬ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ১২ হাজার ৪৮৪ জনের।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৭৩০। তৃতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। এখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫১ জন। চতুর্থ স্থানে রয়েছে কর্নাটক। এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৭০ হাজার ২০৬। পঞ্চম স্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০১।
গত মার্চে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণার পর থেকে মহারাষ্ট্র রাজ্যের মুম্বাই মহামারি সংকটের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ১৩০ কোটি লোকের দেশটিতে মোট সংক্রমণের এক তৃতীয়াংশই মহারাষ্ট্রে।








