ভারতে স্কুলের পাঠ্যক্রমে গীতা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। একইসঙ্গে একে জাতীয় পুস্তকের মর্যাদা দেওয়ারও দাবি তুলেছে তারা। বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে এমন দাবি তুলেছে ভিএইচপি।
তাদের দাবি, গীতা পাঠ্যক্রমে যুক্ত করা হলে নিষ্ঠা বাড়বে শিক্ষকদের। আরও বেশি দায়িত্ব সহকারে পড়াবেন তারা।
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জাতীয় সচিব এবং বিশ্ব গীতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক আচার্য রাধাকৃষ্ণ মনোরী। বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন তিনি। সেখানেই পাঠ্যক্রমে বাধ্যতামূলকভাবে গীতা পড়ানো এবং একে জাতীয় পুস্তকের মর্যাদা দেওয়ার দাবি তোলা হয়।
ভিএইচপি বলছে, গীতা ধর্মনিরপেক্ষ গ্রন্থ এবং এর পাঠ যে কতটা জরুরি, তা সর্বজনবিদিত।
বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে সময়ও চেয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। আলোচনার মাধ্যমে তারা মূলত গীতার গুরুত্ব বোঝাতে চান। এটির পাঠ যে সমাজকে কতটা সামনের দিকে নিয়ে যেতে পারে সেই আলোচনায় জোর দেবে ভিএইচপি।
আচার্য রাধাকৃষ্ণ মনোরীর দাবি, ভালো বেতন এবং সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকরা তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারছেন না। অতএব, তাদের মধ্যে শিক্ষার্থীদের প্রতি অনুভূতির উন্নতি এবং দায়িত্ব পালনের অনুভূতির জন্য পাঠ্যক্রমে গীতা পাঠ বাধ্যতামূলক করা উচিত। এটি পাঠের মাধ্যমেই সমাজের উন্নতি সাধন সম্ভব।
সংগঠনের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ব গীতা ইনস্টিটিউট এই গ্রন্থটিকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চায়। সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে তারা। সংগঠনটি মনে করে, পশ্চিমা সংস্কৃতির কুফলকে আটকাতে গীতা ভারতের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। সূত্র: টিভি৯।









