ভারতের হরিয়ানার গুরগাও এলাকার একটি বেসরকারি স্কুলে বড়দিনের আয়োজনে বাধা দিয়েছে স্থানীয় এক রাজনীতিকের নেতৃত্বে একদল মানুষ। বৃহস্পতিবার পাতৌদি শহরের নারহেরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এসময় তারা ‘জয় শ্রী রাম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দেয়। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে এক ব্যক্তি স্কুলে ঢুকে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। ওই ব্যক্তি বলেন, খ্রিস্ট ধর্ম এখানে গ্রহণযোগ্য না। আমরা যিশু খ্রিস্টকে অশ্রদ্ধা করছি না। কিন্তু আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বলতে চাই যে তারা যদি চায় তারা বৈধভাবে তাকে স্মরণ করতে পারে। কিন্তু ধর্মান্তরিত করার ফাঁদে পড়া যাবে না। এটি ভারতীয় সংস্কৃতি ধ্বংস করে দিতে পারে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি’র খবরে বলা হয়েছে, হাউজ হোপ গুরুগ্রাম নামের একটি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে বড়দিনের এই আয়োজন করা হয়। বলা হচ্ছে, একটি গান পরিবেশনের পর কয়েকজন যিশু খ্রিস্টের নামে স্লোগান দেয়। এটিকে শিক্ষার্থীদের খ্রিস্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত করার উসকানি হিসেবে মনে করেন কয়েকজন স্থানীয়।
স্থানীয় একজন যাজক বলেন, এটি খুব আতঙ্কের। গির্জায় তখন নারী ও শিশুরা ছিল। এমনটি দিন দিন বাড়ছে। এটি আমাদের প্রার্থনা ও ধর্ম পালনের অধিকারের লঙ্ঘন।
বড়দিনের আয়োজনের কথা শুনে পাতৌদি আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করা নরেন্দ্র সিং পাহারি নিজের সমর্থকদের জড়ো করে স্কুলে হাজির হয়েছিলেন। তিনি বলছেন, অনুষ্ঠানে ধর্মান্তরিত করার জন্য প্রলোভন দেখানো হচ্ছিল।
তার অভিযোগ, আয়োজনে হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করা হয়েছে এবং অনুষ্ঠানে হিন্দুদের বিভক্ত করার চেষ্টা ছিল। যিশু খ্রিস্টের প্রশংসার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে জয় শ্রী রাম ও ভারত মাতার স্লোগান দেওয়া হয়।
স্থানীয় পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তথ্য তারা পেয়েছেন এবং বিষয়টি সমাধান হয়ে গেছে। কোনও লিখিত অভিযোগ ছিল না। তাই কোনও মামলা হয়নি। সূত্র: এনডিটিভি









