নিভে গেলো বাংলা গানের সন্ধ্যা প্রদীপ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ৯০ বছরের এই কিংবদন্তি। তার প্রয়াণে শোকের ছায়া বাংলার শিল্প সংস্কৃতি মহলে।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় স্বর্ণ যুগের সৃষ্টি করেছিলেন। এমন কণ্ঠস্বর ১০০ বছরে একটা আসে। তার অসামান্য সুরের উপর নিয়ন্ত্রণ ছিল। ‘গানে মোর ইন্দ্রধনু’ অগ্নিপরীক্ষার গান মাতোয়ারা, শিহরিত হয়েছিলাম। লতা মঙ্গেশকরকে টক্কর দেওয়ার মতো একটা কণ্ঠস্বর পেয়েছি আমরা। একটা গানের কথা খুব মনে পড়ে, ‘সাগরবেলায় ঝিনুক খোঁজার ছলে’। এদের শরীর চলে যায়, কিন্তু গান থেকে যাবে, বহুদিন বেঁচে থাকবেন মানুষের স্মরণে, মননে।
জয় গোস্বামী
সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বাল্যে ও কৈশোরে আমার আলাপ তার গানে। যদিও শেষের দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৌলতে ওর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। আমি ওকে প্রণাম করেছিলাম। আমি যতোদিন বেঁচে থাকবো, ততদিন তার গানের সঙ্গে আমার যোগাযোগ থাকবে।
হৈমন্তী শুক্লা
শিল্পীদের কাছে তিনি তো অভিভাবকসম। সাক্ষাৎ সরস্বতী। এই শূন্যতা পূরণ হবে না। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। তবে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের মতো শিল্পীদের প্রয়াণ হয় না। সারা জীবন বেঁচে থাকেন।
পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য
সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে একটা যুগের অবসান হলো। তবে আমার কাছে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় দিদির মতো। দীর্ঘ ১০ বছর তার সঙ্গে বিভিন্ন রেকর্ডিংয়ে বাজিয়েছি। তিনি কখনও এতো বড় শিল্পী সেটা বুঝতে দিতেন না। আমাদের জন্য কখনও গোলাপ, কখনও পারফিউম নিয়ে আসতেন। আজ মনে হচ্ছে, আমার দিদিকে হারালাম।









