‘আসানসোল ঘরের মেয়েকেই চায়’- এই স্লোগানে শেষ চৈত্রের গরমে রীতিমতো সরগরম পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনের রাজনৈতিক আবহাওয়া। শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালকে এই শ্লোগান নিয়ে কটাক্ষ করলেন স্বাস্থ্য ও অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য্য। মঙ্গলবার প্রচারে বেরিয়ে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য্যকে সেই কটাক্ষের পাল্টা জবাব দিলেন অগ্নিমিত্রা পাল।
আসানসোলের বুধা এলাকায় রোড শো করেন অগ্নিমিত্রা পাল ও বিজেপি সাংসদ তথা ভোজপুরি গায়ক মনোজ তেওয়ারি। মনোজ তেওয়ারি তার বিখ্যাত গান ‘জিয়া হো বিহার কে লালা’ সেই গানের প্রসঙ্গ টেনে ‘বিহারীবাবু’ আসানসোলের তৃণমুল কংগ্রেসের প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহাকে একহাত নিলেন।
এবার আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনে নির্বাচনি প্রচারে রাস্তা, জল, নিকাশি, সেতু বা উন্নয়নকে পেছনে ফেলে এখন সব থেকে বেশি আলোচিত হচ্ছে ‘আসানসোল ঘরের মেয়েকেই চায়’। আর ‘বাহারিবাবু (বহিরাগত) বা বিহারীবাবু’ প্রসঙ্গ। যে প্রসঙ্গে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না সাংসদ মনোজ তেওয়ারিও।
‘জিয়া হো বিহারকে লালা, জিয়া তো হাজার সালা’ গানের গায়ক তথা বিজেপি সাংসদ মনোজ তেওয়ারি বলেন, শত্রুঘ্ন সিনহা আর বিহারের লালা নন। তাকে বিহারের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাকে দেখে এখন তাই হাসি পায়। তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত লালু প্রসাদ যাদবের সমর্থন নিয়েছিলেন। যে কারণে সেখানে তার পরাজয় হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এখন বিহারের লালা নয়, আসানসোলের ‘বালা’ অর্থাৎ আসানসোলের মেয়েকে চায় আসানসোলের মানুষ। আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ধোঁকা দিয়েছেন। বাবুল যে ভোট পেয়েছিলেন সেই ভোট ছিল মোদিজির। এখানে এক একটা ভোট মোদিজির ভোট। আসানসোলে অগ্নিমিত্রা পালকে ভোট দেবেন, সেই ভোট সরাসরি গিয়ে পড়বে মোদিজির কাছে।
বিজেপি সাংসদ বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে যেসব ছাত্রছাত্রী এসেছেন তাদেরকে মোদিজি নিয়ে এসেছেন। শুধু ভারত নয়, আশপাশের দেশের পড়ুয়া তার জন্য ফিরে এসেছেন। মোদিজি দেশবাসীকে বাঁচাচ্ছেন। আর বাংলাতে দিদি হিংসা করাচ্ছেন। বীরভূমের রামপুরহাট ও পুরুলিয়ার ঝালদার ঘটনা নিয়ে হাইকোর্টের রাজ্যের প্রতি বিশ্বাস উঠে গেছে। তাই সিবিআইকে আসতে হচ্ছে। আসানসোলের জনতা অগ্নিমিত্রার সঙ্গে আছেন।









