ভারতের লোকসভা নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগে চাপের মুখে পড়েছে মোদি সরকার। ইসির পদত্যাগের কারণ দর্শাতে সরকারকে চাপ দিচ্ছে বিরোধী দলগুলো। রবিবার (১০ মার্চ) কাতার-ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন নাকি নির্বাচন বর্জন?
তিনি বলেছেন, আমরা যদি আমাদের স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়মতান্ত্রিক পতন রোধ না করি, তাহলে আমাদের গণতন্ত্র একদিন একনায়কতন্ত্রে পরিণত হবে।
শনিবার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল। এর আগে, গত মাসে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনার বেঞ্চের আরেক সদস্য অনুপ পান্ডে অবসরে যান। ফলে এখন দেশটির নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুধু প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) রাজিব কুমারই থাকলেন।
যেহেতু নতুন নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের প্রক্রিয়া এখন কার্যকরভাবে ক্ষমতাসীন দল ও প্রধানমন্ত্রীর হাতে, তাই ইসি নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো। অরুণ গোয়েলের পদত্যাগকে উদ্বেগজনক বলেছেন রাজনৈতিক নেতারা। এছাড়া অনুপ পান্ডে অবসরে যাওয়ার ২৩ দিন পরও কেন নতুন ইসি নিয়োগ করা হয়নি-তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। তাদের দাবি, মোদি সরকারকে এর উত্তর ও যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দিতে হবে। ইসির স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে অরুণ পদত্যাগ করেছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে পাঠানো হয়েছে এবং তা গৃহীতও হয়েছে।
এই সপ্তাহে কাশ্মির যাওয়ার কথা সিইসি রাজিব কুমারের। ফলে আগামী বৃহস্পতি বা শুক্রবারেই লোকসভা নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছিল দেশটির সংবাদ মাধ্যম গুলো। তবে অরুণের পদত্যাগের ফলে এখন এই নির্বাচনের সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।








