দখলদার ইসরায়েলি সেনাকে থাপ্পড় মেরে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠা আহেদ তামিমির বিচার পিছিয়ে দিয়েছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার তামিমির আইনজীবী জানিয়েছেন, ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইসরায়েল তামিমির বিচার পিছিয়ে দিয়েছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ১৬ বছরের আহেদ তামিমির বিচার শুরু হওয়ার কথা ছিল বুধবার (৩১ জানুয়ারি)। কিন্তু ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বিচারের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছে। তামিমির মা নারিমানের বিচারও শুরু হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। বিচার চলাকালীন তামিমি ও তার মাকে কাস্টডিতে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনার এই ঘটনায় ইসরায়েলের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ইসরায়েলের কারাগারে তামিমিসহ নাবালকদের বন্দি রাখায় উদ্বেগ জানিয়েছে।
দখলদার ইসরায়েলি সেনাকে থাপ্পড় ও লাথি মারার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনায় আসেন আহেদ তামিমি। এমন দুঃসাহসিকতা দেখানোয় গত ডিসেম্বরে মা-সহ তাকে গ্রেফতার করে ইসরায়েলি সেনারা। জানুয়ারির শুরুতে তার বিরুদ্ধে ১২টি অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে ইসরায়েলি সেনাকে লাঞ্ছিত করা, তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং পাথর ছোড়ার মতো অভিযোগ। তামিমির মুক্তির দাবি ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী। তিনি হয়ে উঠেছেন ফিলিস্তিনি জনগণের মুক্তি আন্দোলন ও তৃতীয় ইন্তিফাদার প্রতীকী চরিত্র। ফিলিস্তিনি ও ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের সমর্থকদের কাছে ‘প্রতিরোধের নারী নেত্রী’ স্বীকৃতি পেয়েছেন তামিমি।







