সোমবার কুয়েতের আমির যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কুয়েতি সংবাদসংস্থা কুনার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কাতারের সঙ্গে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের বিরূপ সম্পর্কের বিষয়টি আলোচনায় স্থান পেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ওই দ্বন্দ্ব নিরসনে আগ্রহী। কারণ ইরানকে ঠেকাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে নতুন জোট গঠন করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে দেশটি।
সৌদি আরব, আরব আমিরাত, মিসর ও বাহরাইন কাতারের সঙ্গে সবরকম কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে রেখেছে। তাদের অভিযোগ, দোহা সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন দিচ্ছে এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানকে সহযোগিতা করছে। জবাবে কাতার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, এই বর্জনের সিদ্ধান্ত দেশটির সার্বভৌমত্ব খর্ব করার চেষ্টা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয়ে প্রকাশ্যে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন দেশগুলোকে সমর্থন দিয়েছিলেন। তবে সে অবস্থা থেকে কিছুটা সরে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন দেশটি চায় বিরোধের মীমাংসা করে একটি ঐক্যবদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য দেখতে, যাতে তারা এক সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে।
রয়টার্স গত জুলাই মাসে জানিয়েছিল, ইরানকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র গালফ উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয়টি দেশ, মিসর ও জর্ডানের সঙ্গে মিলে একটি নতুন সামরিক ও রাজনৈতিক জোট গঠনের কাজ করছে। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করেন, ‘মিডিল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক অ্যালায়েন্স’ নামে পরিচিত ওই প্রকল্পটির বিষয়ে কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল আহমাদ আল জাবের আল সাবাহ ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সেখানেই উঠে আসবে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের বিষয়টি।








