ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতিকে সমর্থন করবে না ফ্রান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৩ জানুয়ারি ২০২৪, ১৭:০০আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২৪, ১৭:০৫

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতিকে সমর্থন করবে না ফ্রান্স। মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী প্রতিনিধি নিকোলাস ডি রিভেরে এ কথা বলেছেন। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এই খবর জানিয়েছে।

ওইদিন দে রিভেরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘জনসংখ্যার জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির বিরোধিতা করে ফ্রান্স। এটা একদমই স্পষ্ট…আমরা মানুষের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতকে সমর্থন করব না।’

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘এটা কমবেশি স্পষ্ট যে, গাজা ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত উপত্যকা। সেখানে ফিলিস্তিনিরা যাতে নিরাপত্তার সঙ্গে এবং নিরাপদ ও সুস্থ সুন্দরভাবে বসবাস করতে পারে তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। আর এটাই অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।’

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেওয়া’ এবং বাস্তুচ্যুত এসব ফিলিস্তিনিদের গ্রহণ করতে বিভিন্ন দেশকে আহ্বান জানানোর পরই এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।

দে রিভেরে বলেছেন, গাজা থেকে লোকদের উচ্ছেদ করা বা গাজাকে পুনর্নির্মাণ করা একটি ‘উদ্ভট ধারণা’। তিনি আরও বলেন, সামরিক অভিযান বন্ধ করা এবং বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু না করা অপরিহার্য।

তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের নিজেদের বাড়িতে শান্তিতে বসবাস করতে পারা এবং গাজা উপত্যকায় বেসামরিক লোকদের ওপর বোমা হামলা বন্ধ হওয়া উচিত। হাসপাতাল, স্কুল ধ্বংস করা হয়েছে…আমরা এসব বন্ধ করতে চাই।’

হামাস সম্পর্কে দে রিভেরে বলেন, এটি সত্য যে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ‘বেসামরিকদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, স্কুলে লুকিয়ে আছে। তাই বলে সন্দেহ হলেই স্কুলে আপনার বোমা ফেলা উচিত নয়।’

বেসামরিকদের সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে ডি রিভেরে বলেন, গাজায় ২০ লাখ সন্ত্রাসী নয়,২০ লাখ বেসামরিক রয়েছেন।

৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে গাজা উপত্যকায় নিরলস বিমান ও স্থল হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল।

গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, এ হামলায় অন্তত ২২ হাজার ১৮৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫৭ হাজার ৩৫ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে, ধারণা করা হচ্ছে, হামাসের ওই হামলায় সেদিন প্রায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। 

ইসরায়েলি আক্রমণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়ে পড়েছে গাজা। ছিটমহলটির ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দাই বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

/এএকে/
সম্পর্কিত
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কিমের বড় ঘোষণা
বজ্রনিনাদে ভারতে বর্ষার প্রবেশ, কেরালাজুড়ে হচ্ছে ভারি বৃষ্টি
সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশ সফরের ব্যাখ্যা দিলো আইসিসি
বাংলাদেশ সফরের ব্যাখ্যা দিলো আইসিসি
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে সহযোগীদের সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে সহযোগীদের সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের নিয়ে সতর্ক ফ্রান্স কোচ
বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের নিয়ে সতর্ক ফ্রান্স কোচ
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান