ইরান সমর্থিত লেবাননের হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের আরও গভীরে আঘাত হানবে। এমনটাই আশা করছে ইরান। শনিবার (৩ আগস্ট) দেশটি বলেছে, ইসরায়েল হিজবুল্লাহ সামরিক কমান্ডারকে হত্যা করার পর গোষ্ঠীটির হামলা আর সামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই খবর জানিয়েছে।
৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সীমান্তে গুলি বিনিময় করছে হিজবুল্লাহ। তারা বলছে, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এই হামলা পরিচালনা করছে।
জাতিসংঘে ইরানের মিশন বলেছে, দক্ষিণ বৈরুতের ঘনবসতিপূর্ণ একটি আবাসিক এলাকায় ইসরায়েলের করা হামলা সংঘাতের হিসেবকে পালটে দিয়েছে।
মিশনটি সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনার বরাতে বলেছে, ‘আমরা চাই হিজবুল্লাহ আরও লক্ষ্যবস্তু বেছে নেবে এবং এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় আরও গভীরভাবে আঘাত হানবে।’
খবরে আরও বলা হয়, ‘গোষ্ঠীটি তাদের প্রতিক্রিয়া শুধু সামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যেই আর সীমাবদ্ধ রাখবে না।’
মঙ্গলবারের হামলায় হিজবুল্লাহ কমান্ডার ফুয়াদ শুকর নিহত হন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ওই হামলায় ৫ বেসামরিক নাগরিকও নিহত হন। তাদের মধ্যে ৩ নারী এবং ২ শিশু ছিল।
ইসরায়েল বলেছে, সংযুক্ত গোলান মালভূমিতে রকেট হামলার জন্য শুকর দায়ী ছিল। ওই হামলায় ১২ জন নিহত হন।
ইরানের মিশন বলেছে, ‘হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি সরকার কিছু নির্দিষ্ট লাইন মেনে হামলা করছিল।’ এই হামলা শুধু সীমান্ত এলাকা ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যেই সীমিত ছিল।
তবে বৈরুতের হামলা সেই সীমা অতিক্রম করেছে। এমনটাই বলছে মিশনটি।
ইরানের বিপ্লবী গার্ডস জানিয়েছে, শুকরের হত্যার কয়েক ঘণ্টা পরই হামাসের রাজনৈতিক নেতা ইসমাইল হানিয়েহ নিহত হন। তেহরানে নিজ বাসস্থানে একটি হামলায় তিনি নিহত হন।
এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে ইসরায়েল।
বৃহস্পতিবার হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ বলেন, শুকর ও হানিয়েহ উভয়ের হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলসহ ‘এর পেছনে যারা রয়েছে তারা অবশ্যই আমাদের অনিবার্য প্রতিক্রিয়া দেখবে।’
এদিকে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরান ও হামাসও।







