বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজার ধ্বংসাবশেষ স্তূপ করে রাখলে, তা মিশরের বৃহত্তম পিরামিড গিজার গ্রেট পিরামিডের ১১ গুণ বেশি উঁচু হবে। গ্রেট পিরামিড অব গিজার উচ্চতা ৪৮১ ফুট। ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় গাজায় প্রতিদিনই বাড়ছে ধ্বংসস্তূপের পরিমাণ যা পরিষ্কার করতে এক দশকেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে মনে করছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের ধারণা, গাজায় ৪ কোটি ২০ লাখ টনের বেশি ভগ্নাবশেষ সৃষ্টি হয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ধ্বংসাবশেষের নিচে এখনো অনেক মরদেহ চাপা পড়ে রয়েছে। তাদের হিসাবে এ সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি হবে।
গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। এর আগে সেখানে ১ লাখ ৬৩ হাজারের মতো ভবন ছিল। কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যে পাওয়া জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এসব ভবনের সব কটি ক্ষতিগ্রস্ত অথবা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এসব ভবনের এক-তৃতীয়াংশ বহুতল ভবন ছিল।
এর আগে ২০১৪ সালে গাজায় সাত সপ্তাহের লড়াইয়ের পর ইউএনডিপি সেখানে ৩০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ সরিয়েছিল। জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপির গাজা কার্যালয়ের প্রধান আলেসান্দ্রো ম্র্যাকিকের ধারণা, এক কোটি টন বর্জ্য পরিষ্কারে ২৮ কোটি মার্কিন ডলার খরচ হয়। সে হিসাবে এখন যুদ্ধ বন্ধ হলে গাজার ধ্বংসাবশেষ সরাতেই ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি খরচ হবে।







