আলেপ্পো শহরে ঢুকে পড়া বিদ্রোহীদের উচ্ছেদের লক্ষ্যে হামলা জোরদার করলো রাশিয়া ও সিরিয়া। সিরীয় সেনাবাহিনীর সূত্র জানিয়েছে, নিবিড় বোমাবর্ষণের দ্বিতীয় দিন রবিবার (১ ডিসেম্বর) সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইদলিবে শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে তারা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।
বাসিন্দারা বলেছেন, অভিযানের সময় ইদলিবের কেন্দ্রে একটি জনাকীর্ণ আবাসিক এলাকাতেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই এলাকাটি তুর্কি সীমান্তের কাছে একটি বিদ্রোহী অঞ্চলের বৃহত্তম শহর, যেখানে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, এ হামলায় অন্তত চারজন নিহত এবং আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন।
সিরিয়ার সেনাবাহিনী ও তার মিত্র রাশিয়া বিদ্রোহী গোষ্ঠীর আস্তানাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা জানিয়েছে। তবে বেসামরিকদের ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে দেশ দুটি।শনিবার, রাশিয়ান এবং সিরিয়ান জেটগুলি ইদলিব প্রদেশের অন্যান্য শহরগুলিতে বোমাবর্ষণ করেছিল, যা গৃহযুদ্ধে বছরের পর বছর ধরে সবচেয়ে সাহসী বিদ্রোহী আক্রমণে সম্পূর্ণরূপে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছিল যেখানে 2020 সাল থেকে ফ্রন্ট লাইনগুলি মূলত হিমায়িত ছিল।
শুক্রবার রাতে ইদলিব প্রদেশের পূর্ব আলেপ্পো শহরে ঢুকে পড়ে বিদ্রোহীরা, যা বছরের পর বছর ধরে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জটিকে মোকাবিলা করতে সেনাবাহিনীকে পুনরায় মোতায়েন করতে বাধ্য করে।
সিরিয়ার সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলায় তাদের কয়েক ডজন সেনা নিহত হয়েছেন।
রবিবার সেনাবাহিনী বলেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিদ্রোহীদের দখল করা বেশ কয়েকটি শহর পুনরুদ্ধার করেছে তারা। এই বিদ্রোহীরা তুরস্ক-সমর্থিত মূলধারার ধর্মনিরপেক্ষ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একটি জোট এবং হায়াত তাহরির আল শাম (এইচটিএস) একটি ইসলামি গোষ্ঠী যেটি বিরোধীদের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তি।
হায়াত তাহরির আল শামকে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, তুরস্ক ও অন্যান্য রাষ্ট্র একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছে।








