গাজা সিটিতে ইসরায়েলি অভিযানের আতঙ্কে বাসিন্দারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৫৬আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৫৬

গাজা সিটির বাসিন্দাদের নতুন করে যেতে চলেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। নতুন হামলার আগে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হামাস জিম্মিদের মুক্তি না দিলে ব্যাপক হামলার হুমকির পর এই নির্দেশ দিলো ইসরায়েল। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

মঙ্গলবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজার বাসিন্দাদের বলছি, সুযোগটা কাজে লাগান। ভালো করে শুনুন। সতর্ক করা হলো, এখনই চলে যান।

গাজার প্রায় ১০ লাখ মানুষের সবচেয়ে বড় নগরকেন্দ্রে এ নির্দেশে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ দক্ষিণে যাওয়ার কথা ভাবছেন, আবার অনেকেই বলছেন, কোথাও নিরাপদ নয়, তাই থাকবেন।

ছয় সন্তানের জননী ৫৫ বছর বয়সী উম্মে মোহাম্মদ বলেন, গত সপ্তাহের বোমাবর্ষণ সহ্য করেছি। তবে এবার মেয়ের কাছে যাওয়ার জন্য চলে যাচ্ছি।

ইসরায়েলি সেনারা গাজার দক্ষিণে খান ইউনুসের আল-মাওয়াসি এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, যেটিকে ‘মানবিক এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে চলমান যুদ্ধের মধ্যে এর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

নেতানিয়াহু বলেছেন, সেনারা গাজা সিটির ভেতরে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে মঙ্গলবার পর্যন্ত ট্যাংকের নতুন কোনও অগ্রগতি হয়নি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হামাস শেষ জিম্মিদের মুক্তি না দিলে ‘প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের মতো’ সামরিক অভিযান চালানো হবে।

এমন পরিস্থিতি যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলছে। কাতার সোমবার দোহায় আলোচনায় হামাস নেতাদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি-জিম্মি চুক্তিতে ইতিবাচক সাড়া দিতে চাপ দিয়েছে। হামাস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাওয়া কিছু প্রস্তাব তারা আলোচকদের সঙ্গে আলোচনা করছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সাআর বলেছেন, দেশটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।

এদিকে, ইউরোপের কয়েকটি দেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সমালোচকেরা বলছেন, ইসরায়েলের পরিকল্পনা গাজার মানবিক সংকট আরও বাড়াবে।

নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, হামাসকে পরাস্ত করা ছাড়া কোনও বিকল্প নেই। হামাস বলছে, স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত তারা নিরস্ত্র হবে না।

/এএ/
সম্পর্কিত
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
প্রতিনিধি পরিষদের ইরান যুদ্ধ-বিরোধী ভোটের প্রতিক্রিয়ায় মুখ খুললেন ট্রাম্প
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
সর্বশেষ খবর
শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদায়ন, ৩১ শিক্ষককে বদলি
শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদায়ন, ৩১ শিক্ষককে বদলি
খলিলুর রহমানকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
খলিলুর রহমানকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী