চীন থেকে সরবরাহ করা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে উন্নত মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। ইরানের তৈরি খাইবার শেখান ক্ষেপণাস্ত্রের আদলে এই অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি। এটি তৈরি করা সম্ভব হলে ইসরায়েল ও সৌদি আরবকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা যাবে। ‘কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চ’-এর একটি প্রতিবেদনের বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের তৈরি বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে ইরানের নির্ভুল নিশানাভেদী খাইবার শেখান ক্ষেপণাস্ত্রের একটি সংস্করণ তৈরির চেষ্টা করছে হুথিরা। পরিকল্পিত ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা প্রায় ১ হাজার ৯০০ মাইল বা ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের বেশি হতে পারে।
খাইবার শেখান ক্ষেপণাস্ত্রের নামের অর্থ ‘খাইবার ধ্বংসকারী’। ইসলামের শুরুর দিকে মুসলিম যোদ্ধাদের দখলে আসা একটি ইহুদি দুর্গের নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটির নিজস্ব পাল্লা ১ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার বা প্রায় ৯০০ মাইল। এই সক্ষমতা দিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো ও ইসরায়েলে আঘাত হানা সম্ভব।
দ্রুত মোতায়েন ও উৎক্ষেপণের সক্ষমতার কারণে ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী যুদ্ধের সময় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থল খুঁজে বের করে ধ্বংস করার চেষ্টা চালালেও দ্রুত উৎক্ষেপণের সক্ষমতা ইরানকে বিমান হামলা এড়াতে সহায়তা করেছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
মহানবী (সা.)-কে নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য: শ্রীলঙ্কান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলো সৌদি