ইরানপন্থি হুথিদের সঙ্গে লড়াই অব্যাহত থাকার মধ্যে রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানী রিয়াদ ও দক্ষিণাঞ্চলের আকাশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে সৌদি আরব। ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আক্রমণে এ সংঘাত ক্রমেই অস্থিতিশীল ফ্রন্টে পরিণত হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি আরব বৃহত্তর যুদ্ধের বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। রবিবার সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ রিয়াদ, আবহা ও খামিস মুশাইতে জরুরি সতর্কবার্তা দেয়। কয়েক মিনিট পর ঘোষণা করে, বিপদ কেটে গেছে।
জোট জানায়, রিয়াদের দিকে দুটি ড্রোন ও একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দক্ষিণের শহর খামিস মুশাইতের দিকে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। পরে জোট জানায়, সৌদি আরবের দক্ষিণ অংশের দিকে ছোড়া ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত করেছে।
হুথিরা সতর্ক করেছে, তারা রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আবার লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। চলতি মাসের শুরুর প্রাণঘাতী হামলার পর রবিবার বিমানবন্দরটির দুটি টার্মিনালে কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। হুথিরা জানায়, শনিবার তারা বিমানবন্দর ও সৌদি তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তবে হুথিদের বিবৃতি নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ সরাসরি মন্তব্য করেনি।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, বিমানবন্দরটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুই থাকছে। তিনি সব এয়ারলাইন, বিমানবন্দরের কর্মী ও যাত্রীকে এটি ব্যবহার না করতে সতর্ক করেন। /শনিবার রাতের দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, রবিবার থেকে ১ নম্বর টার্মিনাল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য এবং ২ নম্বর টার্মিনাল জাতীয় এয়ারলাইনগুলোর আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য নির্ধারিত থাকবে।
১০ অক্টোবর এক হামলার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। হামলার দায় স্বীকার করেছে হুথিরা। এতে ১৩ জন নিহত এবং ৩০০-র বেশি মানুষ আহত হন, যা এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে দেশটিতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।
মক্কা-মদিনায় হামলার খবর অস্বীকার হুথিদের