পাকিস্তানে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে পুড়িয়ে মারার দায়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমব্রিন রিয়াসাত নামের ওই মেয়েটিকে পুড়িয়ে মারার নির্দেশ দেন দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মাকোল জেলার আব্বতাবাদ গ্রামের এক উপজাতি গোষ্ঠীর নেতারা।
পুলিশ জানায়, আমব্রিনকে একটি সুজুকি মিনিবাসের মধ্যে রেখে বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আমব্রিনের অপরাধ, সে তার এক বন্ধু যুগলকে বিয়ে করার জন্য পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল। তার বন্ধুরা পালিয়ে যাওয়ার জন্য ওই মিনিবাসটি ব্যবহার করেছিল।
আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে গরু খাওয়া যাবে, তবে কাটা যাবে না
মাকোল জেলার পুলিশ প্রধান খুররম রশিদ জানান, মেয়েটির মাসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
খুররম বলেন, ‘মেয়েটির মাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। কারণ তিনিও এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন। তিনি নিজেই মেয়েকে ট্রাইবাল কাউন্সিলের নেতাদের হাতে তুলে দেন।’
তিনি আরও জানান, অপরাধ প্রমাণিত হলে এদের সবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
আরও পড়ুন: ‘ক্ষুধার্ত ও গৃহহীন হলে খাবার চুরি অপরাধ নয়’
পাকিস্তানের সিভিল রাইটস অ্যাকটিভিস্ট আনসার বারনি বলেন, ‘ট্রাইবাল কাউন্সিল বিষয়টি বিলুপ্ত করে দেওয়া উচিত। এ ধরনের অপরাধে জড়িত সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত।’
প্রসঙ্গত, গত বছর পাকিস্তানে মোট ১ হাজার ১০০ নারীকে পরিবার ও গোষ্ঠীর সম্মান রক্ষার নামে অনার কিলিং এর শিকার হতে হয়। সূত্র: আল-জাজিরা।
/ইউআর/এএ/








