স্যাটেলাইট ফটো ও মায়ান জ্যোতির্বিদ্যা অনুসরণ করে মায়া সভ্যতার একটি হারিয়ে যাওয়া শহর খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছে ১৫ বছরের এক কিশোর। ওই কিশোর কানাডার কুইবেক শহরের বাসিন্দা, নাম উইলিয়াম গাদৌরি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্টের এক খবরে এ কথা জানা গেছে।
উইলিয়ামের দাবি, মায়া সভ্যতার লোকেরা নিজেদের শহর ও নগরের অবস্থান ঠিক নক্ষত্রপুঞ্জের অবস্থান অনুসারে। মায়া সভ্যতার প্রধান নক্ষত্রপুঞ্জ ও তারার অবস্থান হিসেব করে উইলিয়াম একটি মায়ান শহরের খোঁজ পেয়েছে। কানাডার স্পেস এজেন্সির স্যাটেলাইট ফটো ব্যবহার করে উইলিয়াম গুগল আর্থে হারিয়ে যাওয়া মায়ান শহরটির অবস্থান চিহ্নিত করে। উইলিয়াম শহরটির নাম দিয়েছে আগুনের মুখ।
আরও পড়ুন: ৫ মিনিটেই শেষ যুক্তরাজ্যে ইসলামবিরোধী বিক্ষোভ
কানাডা স্পেস এজেন্সির ডেনিয়েল ডে লিসলে জানান, ঘন বনাঞ্চলের কারণে এলাকাটি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা মুশকিল। তবে স্যাটেলাইটে পাওয়া ছবি দেখে মনে হয়, সেখানে কিছু একটা আছে। অনেক প্রমাণ দেখা যাচ্ছে যে, সেখানে মানবসৃষ্ট অবকাঠামো থাকতে পারে।
ইউনিভার্সিটি অব নিউ বার্নসউইকের ড. আর্মান্ড লা রক জানান, একটি ছবিতে রাস্তা ও বড় আয়তাকার বস্তুর অস্তিত্ব দেখা যায়, যা সম্ভবত একটি পিরামিড হতে পারে। তিনি বলেন, সবকিছু একত্রিত করে দেখলে একটি মায়া শহরের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনাই প্রবল। তিনি আরও জানান, উইলিয়ামের এই পদ্ধতি ব্যবহার করে নৃবিজ্ঞানীরা মায়া সভ্যতার অপর শহরগুলোও খুঁজে বের করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: ট্রেন্ড তালিকা সম্পাদনার অভিযোগ অস্বীকার করলো ফেসবুক
উইলিয়ামের এ সন্ধানের কথা বিজ্ঞান জার্নালে প্রকাশিত হবে। ২০১৭ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান মেলায় নিজের আবিষ্কারের কথা তুলে ধরবে সে। সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট।
/এএ/বিএ/








