পার্ল হারবার পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষমা চাইবেন না শিনজো আবে

বিদেশ ডেস্ক
২৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ০৬:৪৭আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ০৬:৫৩
image

শিনজো আবে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে মার্কিন নৌঘাঁটি পার্ল হারবার পরিদর্শনে যাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনি ক্ষমা চাইবেন না বলে জাপান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, শিনজো আবে ইতোমধ্যে হাওয়াই দ্বীপে পৌঁছেছেন। সেখান থেকে মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে পার্ল হারবার পরিদর্শনে যাবেন তিনি।

১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি পার্ল হারবারে আক্রমণ করে জাপান। হামলায় প্রায় ২ হাজার ৩০০ জন নিহত হন। আটটি যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংস হয়, চারটি ডুবে যায়। তবে এয়ারক্রাফট কেরিয়ারটি জাহাজে থাকায় তা রক্ষা পায়।   

ওই ঘটনার পরই যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধের পর জাপানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রতা স্থাপন করলেও এ পর্যন্ত দেশ দু’টির কোনও শীর্ষ নেতা পার্ল হারবার সফরে যাননি।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আবের পার্ল হারবার পরিদর্শনের সময় দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তুলে ধরা হবে। এরপর দুই নেতার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে হাওয়াই দ্বীপে। 

পার্ল হারবার হামলার ছবি

জাপান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পার্ল হারবার আক্রমণে নিহতদের জন্য প্রার্থনা করবেন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে, তবে ওই ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইবেন না তিনি। আক্রমণের ৭৫ বছর পূর্তির তিন সপ্তাহ পর মার্কিন নৌঘাঁটিটিতে যাচ্ছেন আবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প জয়ী হওয়ার পর শিনজো আবে তার সঙ্গে নিউ ইয়র্কে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ট্রাম্পকে ‘বিশ্বস্ত নেতা’ বলেও উল্লেখ করেন আবে।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের এক পর্যায়ে ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা চালায়। ধারণা করা হয়, ওই হামলায় দেড় লাখেরও বেশি মানুষ নিহত হন। চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা হিরোশিমা ও নাগাসাকি সফর করে নিহতদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও, ওই ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানান। ধারণা করা হচ্ছে, ওবামার ওই সফরের বিপরীতেই আবে পার্ল হারবার পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।  

সূত্র: বিবিসি।

/এসএ/

সম্পর্কিত
মৌমাছির রানি হয়ে ওঠার রহস্য কী
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
সর্বশেষ খবর
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম