অস্ট্রেলিয়ায় বৃষ্টির পরও কাটছে না দাবানলের হুমকি

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৫:১০, জানুয়ারি ২০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:২৩, জানুয়ারি ২০, ২০২০

অস্ট্রেলিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হলেও দাবানলের ভয়াবহতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিন্ত হতে পারছে না। তারা জানিয়েছে এখনই এই ধংসাত্মক দাবানল নিভে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

অস্ট্রেলিয়ায় গত সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে ২৮ জন মানুষ। বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫০ কোটি প্রাণীরও মৃত্যু হয়েছে। অসংখ্য গাছ পুড়েছে, হাজার হাজার বনভূমি উজাড় হয়েছে, ভস্মীভূত হয়েছে কয়েক হাজার বাড়িঘর। দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলসের মধ্য উপকূলীয় কুলনুরা এলাকায় ১৫৬ লাখ হেক্টর আয়তনের গাছপালা পুড়ে বৃহৎ আকারের খেলার মাঠের মতো ফাঁকা হয়েছে। তবে গত ১৬ জানুয়ারি থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় দাবানলের তীব্রতা কমতে থাকে।

মেলবোর্ন এবং ক্যানবেরায় ঝড় চলছে। ভেঙে গেছে বাড়িঘর ও গাড়ির কাঁচ। সোমবার পর্যন্ত সিডনি ও ব্রিজবেনে আরও ঝড় হওয়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে দাবানলে তাপমাত্রার তীব্রতার কারণে মারাত্মক খরা দেখা দিয়েছে, ত্বরান্বিত করেছে জলবায়ু পরিবর্তন।  

সোমবার ভিক্টোরিয়ার প্রধাম ড্যানিয়ের অ্যান্ড্রু বলেন, সাম্প্রতিক এই বৃষ্টি  দাবানলের কারণে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর জন্য খুবই শান্তি নিয়ে এসেছে। তবে এই ঝড় কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাতেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভূমিধসের কারণে অনেক পথও বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, আমাদের শান্ত থাকতে হবে। এখন ২০ জানুয়ারি। আগুনের মৌসুম শেষ হতে এখনও অনেক দেরী।

অ্যান্ড্রু জানান, এখনও ১৫ লাখ হেস্টর এলাকা জুড়ে আগুন বিরাজ করছে। ধোঁয়ার কারণে মেলবোর্নসহ নিকটবর্তী অঞ্চলগুলো বাতাস বিষাক্ত হয়ে পড়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা জানান, আগুন মৌসুম শেষ হতে এখনও বেশ সময় বাকি। দাবানাল ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের ড. রিচার্ড বলেন, আমরা এখনও মৌসুমর আসায় সময়ও যাইনি। ইতিহাস থেকে জানা যায় যে ফেব্রুয়ারিতে এই মৌসুম বেশি ভয়াবহ রুপ ধারণ করে। তিনি বলেন, বৃষ্টি খুবই জরুরি। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে িএখনও অনেক কাঠ রয়েছে যা আগুনকে আরও বৃদ্ধি পেতে সহায়তা করবে।

/এমএইচ/

লাইভ

টপ