বাতাসের মাধ্যমে কিছু মাত্রায় করোনা সংক্রমণ হতে পারে: ড. ফাউচি

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১২:৪৬, জুলাই ১১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:৫০, জুলাই ১১, ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি বলেছেন, কিছু মাত্রায় করোনাভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে। শুক্রবার তিনি এই মন্তব্য করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (ডব্লিউএইচও) দুই শতাধিক বিজ্ঞানীর চ্যালেঞ্জের পর যখন বাতাসে করোনার সংক্রমণ নিয়ে বিতর্ক চলছে তখন ফাউচি একথা বললেন। এর একদিন আগেই জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা ভাইরাসটি সংক্রমণের উপায় নিয়ে আরও গভীর গবেষণার আহ্বান জানায়।

ড. অ্যান্থনি ফাউচি

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস-এর প্রধান ড. ফাউচি বলেন, অ্যারোসল সংক্রমণ নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়েছে। তবে কিছু মাত্রায় এই সংক্রমণ ঘটতে পারে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ফাউচি বলেছিলেন, বায়ুবাহিত সংক্রমণ ঘটার বিষয়টি যুক্তিসঙ্গত অনুমান। তবে এই অনুমানের পেছনে দৃঢ় কোনও প্রমাণ এখন পর্যন্ত নেই।

মহামারির শুরুর দিকে ধারণা করা হতো যে হাঁচি বা কাশির ফলে ছড়ানো ড্রপলেটের মাধ্যমেই করোনাভাইরাস ছড়ানো সম্ভব। সে কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার জন্য হাত ধোয়াকে অন্যতম একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। সম্প্রতি ৩২টি দেশের ২৩৯ জন বিজ্ঞানী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে একটি উন্মুক্ত চিঠি লেখেন। সেখানে বায়ুবাহিত সংক্রমণের বিষয়টিকে মাথায় রেখে করোনাভাইরাস গাইডলাইন হালনাগাদ করার আহ্বান জানান তারা।

৭ জুলাই (মঙ্গলবার) জেনেভায় প্রেস ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচও’র সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণবিষয়ক টেকনিক্যাল প্রধান বেনেডেত্তা অ্যালাগ্রাঞ্জি বলেন, করোনাভাইরাসের বায়ুবাহিত সংক্রমণের প্রমাণ হাজির হচ্ছে তবে এখনও তা চূড়ান্ত নয়। তিনি বলেন, জনসমাগম স্থলে নির্দিষ্ট পরিবেশে, অতিরিক্ত মানুষ, বদ্ধ, আলো-বাতাস প্রবেশের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকার মতো পরিবেশে বায়ুবাহিত সংক্রমণের বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যদিও এখন প্রমাণ সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আমাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের সবশেষ গাইডলাইনে এখনও পরিবর্তন না আনলেও নতুন পাওয়া তথ্য-উপাত্তগুলো যাচাই করে দেখছে তারা। নুতন পাওয়া প্রমাণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেলে গাইডলাইনে পরিবর্তন আসতে পারে, যেখানে মাস্কের আরো ব্যাপক ব্যবহার, দূরত্ব মানার ক্ষেত্রে আরো কঠোরতা অবলম্বনের - বিশেষ করে রেস্টুরেন্ট, পানশালা এবং গণপরিবহনের মতো বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হতে পারে।

 

/এএ/

লাইভ

টপ