বাংলাদেশ ব্যাংকে সাইবার ডাকাতি

আরও ২০০ মিলিয়ন পেসো ফেরত দিলেন সেই ক্যাসিনো ব্যবসায়ী

বিদেশ ডেস্ক
১৯ এপ্রিল ২০১৬, ১৩:২৫আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৬, ১৩:৩৪
image

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে ফিলিপাইনে পাঠানোর সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কিম অং আরও ২০০ মিলিয়ন পেসো (ফিলিপাইনের মুদ্রা), যা প্রায় ৪৩ লাখ ডলারের সমপরিমাণ, ফিলিপাইনের মুদ্রাপাচার নিয়ন্ত্রক সংস্থা অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কাউন্সিল (এএমএলসি)-র কাছে ফেরত দিয়েছেন।

তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন হাওয়াই লেইজার কোম্পানি লিমিটেড সোমবার ওই অর্থ ফেরত দেয় বলে ফিলিপাইনের সিনেট কমিটির মঙ্গলবারের শুনানিতে এএমএলসি-র নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া বাকে আবাদ জানিয়েছেন। এ সময় আবাদ বলেন, ‘এই অর্থ বাংলাদেশের জনগণের কাছে পাঠানো হবে।’

আরও পড়ুন: আরসিবিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ফিলিপাইন!

কিম অং

ফিলিপাইনের সংবাদমাধ্যম ইনকোয়ারার জানিয়েছে, এ নিয়ে এই ক্যাসিনো ব্যবসায়ী মোট ৯৮ লাখ ডলার ফেরত দিয়েছেন। কিম অংয়ের পক্ষ থেকে গত ৩১ মার্চ ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং ৪ এপ্রিল আট লাখ ৩০ হাজার ৫৯৫ ডলার এএমএলসি-কে ফেরত দেওয়া হয়।

এর আগে অং জানিয়েছিলেন, তিনি ৪৫০ মিলিয়ন পেসো এএমএলসি-র কাছে জমা দেবেন। এ বিষয়ে সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান সিনেটর গুইনগোনা জিজ্ঞেস করলে অং আবারও নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি ওই অর্থ ফেরত দেবেন।

আরও পড়ুন: ৩ বার সতর্কতামূলক বার্তা পেয়েও আমলে নেয়নি ফিলিপাইনের ব্যাংক

ওই ৪৫০ মিলিয়ন পেসো শুহুয়া গাও নামে এক চীনা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ধার পরিশোধ হিসেবে পেয়েছিলেন বলে দাবি কিম অংয়ের। এই অর্থ ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অং, তার অংশ হিসেবেই সোমবার ২০০ মিলিয়ন পেসো দিয়েছেন তিনি। অং জানান, বেইজিংয়ের শুহুয়া গাও এবং ম্যাকাওয়ের ডিং জিজের নামে দুজন এই আন্তর্জাতিক অর্থ চুরির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

অং জানিয়েছিলেন, ওই ৮১ মিলিয়ন ডলার থেকে মাইডাস এবং সোলেয়ার ক্যাসিনোতে পাঠানো হয় ৬৩ মিলিয়ন ডলার। প্রায় ১৭ মিলিয়ন ডলার পাঠানো হয় ফিলরেমের কাছে।

আরও পড়ুন: ফিলিপাইনের ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেম হ্যাকড করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাকাররা ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ চুরি করে। এরপর ওই অর্থ ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকের জুপিটার ব্রাঞ্চের চারটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। পরে ওই অর্থ পাঠানো হয় ফিলিপাইনের কয়েকটি ক্যাসিনোতে। সূত্র: ইনকোয়ারার। 

/এসএ/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ডেঙ্গুর প্রকোপ: কোথাও সিট আছে, কোথাও নেই
ডেঙ্গুর প্রকোপ: কোথাও সিট আছে, কোথাও নেই
ইয়েমেনের বন্দরনগরী মোখা হুথিদের দখলে
ইয়েমেনের বন্দরনগরী মোখা হুথিদের দখলে
ধর্ম নিয়ে বিতর্ক: শুভ’র মরদেহ দাফনের নির্দেশ হাইকোর্টের
ধর্ম নিয়ে বিতর্ক: শুভ’র মরদেহ দাফনের নির্দেশ হাইকোর্টের
দৌলতদিয়ায় আতঙ্ক, কেন মারা যাচ্ছেন যৌনকর্মীরা? 
দৌলতদিয়ায় আতঙ্ক, কেন মারা যাচ্ছেন যৌনকর্মীরা? 
সর্বাধিক পঠিত
ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক প্রধানের পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
রয়টার্স এক্সক্লুসিভডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক প্রধানের পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
কোথায় গেলো হাওরের মাছগুলো?
কোথায় গেলো হাওরের মাছগুলো?
এখন সুযোগ পেলে কাকে নায়িকা হিসেবে চান আলমগীর, জানালেন নিজেই
এখন সুযোগ পেলে কাকে নায়িকা হিসেবে চান আলমগীর, জানালেন নিজেই
কানাডায় ববিতার ৩৬ ঘণ্টার সড়ক ভ্রমণ, সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাকের ছেলে
কানাডায় ববিতার ৩৬ ঘণ্টার সড়ক ভ্রমণ, সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাকের ছেলে
মান্না-পূর্ণিমা জুটির প্রথম ও শেষ সিনেমা কোনটি
মান্না-পূর্ণিমা জুটির প্রথম ও শেষ সিনেমা কোনটি