রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব বিভাগ। বিবিসি’র এক অনুসন্ধানে সংবাদমাধ্যমটিকে এমনটাই জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এরইমধ্যে পুতিনের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সরাসরি দুর্নীতির দায়ে তাকে অভিযুক্ত করার ঘটনা এটাই প্রথম।
মার্কিন রাজস্ব বিভাগের এমন অবস্থানের বিষয়ে বিবিসি’র পক্ষ থেকে রাশিয়ার বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। তবে রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র বিবিসিকে বলেছেন, ‘এ ধরনের প্রশ্নের কোনও উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই, যেহেতু এসব পুরোপুরি ভিত্তিহীন।’
মার্কিন রাজস্ব বিভাগের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিষয়াদির দেখভাল করেনে অ্যাডাম সাবিন। তিনি বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট যে দুর্নীতিপরায়ণ মার্কিন সরকার এটা বহু বছর ধরেই জানে।
অ্যাডাম সাবিন বলেন, আমরা তাকে দেখেছি তার বন্ধু, ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং যাদেরকে আদতে তিনি বন্ধু মনে করেন না তাদেরকেও রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে সম্পদশালী করে দিতে। জ্বালানি খাতসহ রাষ্ট্রীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে নিজের লোকজনকেই কাজ পাইয়ে দেন তিনি। আমার কাছে এটা দুর্নীতির একটা চিত্র।
এর আগে গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের একটি সরকারি তদন্তেও পুতিনের সমালোচনা করা হয়। এতে বলা হয়, সম্ভবত প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ইশারাতেই সাবেক সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি’র গুপ্তচর আলেকজান্ডার লিটভিনেনকো’র গুপ্তহত্যা সম্পন্ন হয়। ৩০০ পৃষ্ঠার এক তদন্ত প্রতিবেদনে এমন দাবি করেছেন ব্রিটিশ তদন্তকারীরা। তবে ব্রিটেনের ওই প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলে আখ্যায়িত করেছে রাশিয়া।
আলেকজান্ডার লিটভিনেনকো মৃত্যুশয্যায় গোয়েন্দাদের বলেছিলেন, তার বিশ্বাস পুতিন সরাসরি তাকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভবত পুতিন সাবেক এই কেজিবি এজেন্টের গুপ্তহত্যার বিষয়টি অনুমোদন করেছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্য উপাত্তের ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এটা বলা যায়, সম্ভবত আলেকজান্ডার লিটভিনেনকো’কে খুনের জন্য এফএসবি প্রধান নিকোলাই পাতরুশেভ এবং প্রেসিডেন্ট পুতিন এফএসবিকে অভিযান পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছিলেন। সূত্র: বিবিসি।
/এমপি/








