রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কেবল জরুরি পরিস্থিতিতে মস্কো তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে। ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়াতে রাশিয়ার কোনও স্বার্থ নেই। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এখবর জানিয়েছে।
২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আক্রমণ শুরুর পর থেকে চলমান সংঘাতে রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি রুশ ছিটমহল কালিনিনগ্রাদে রাশিয়া পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে।
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নারী মুখপাত্র ইভান নিচায়েভ বলেছেন, শুধু পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে।
তিনি বলেন, রাশিয়ার সামরিক নীতি অনুসারে, গণবিধ্বংসী বা রাষ্ট্রের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়লে কেবল তখন পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে।
নারী মুখপাত্র আরও বলেন, এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষায় হামলা ও জরুরি পরিস্থিতিতে কেবল পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার সম্ভব।
এর আগে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন নেই বলে উল্লেখ করেছে রাশিয়া। সংবাদমাধ্যমে চলমান যুদ্ধে পারমাণবিক বা রাসায়নিক অস্ত্র মোতায়েনের যে জল্পনা ছড়াচ্ছে তা ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’।
মস্কোতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগুও দাবি করেছেন, রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের মূল্য লক্ষ্য হলো পারমাণবিক হামলা ঠেকানো।









