রাশিয়া যদি প্রতিবেশী ইউক্রেন দখল করে তাহলে ব্রিটেন বা দেশটির মিত্ররা কিয়েভকে রক্ষায় সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা খুব কম। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস এই মন্তব্য করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এখবর জানিয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যে দাবি করা হয়েছে, ইউক্রেন সীমান্তে ৭০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া। আগামী বছরের শুরুতে সম্ভাব্য দখল অভিযানের পরিকল্পনা করছে মস্কো।
১৬ নভেম্বর ব্রিটিশ ও ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন। এতে বলা হয়েছিল, রাশিয়ার সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। যুক্তরাজ্য ইউক্রেনের মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবে এবং সমর্থন করবে।
কিন্তু এক সাক্ষাৎকারে ওয়ালেস বলেছেন, ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্য না। ফলে রাশিয়াকে মোকাবিলায় কেউ সেনা পাঠাবে বলে মনে হয় না। ইউক্রেনীয়তা এই বিষয়ে অবগত।
ইউক্রেনকে একাই রাশিয়াকে মোকাবিলা করতে হবে কিনা জানতে চাইলে ওয়ালেস বলেন, আমরা সামর্থ্য বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করতে পারি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইউক্রেন ন্যাটোতে নেই। পুতিনকে এমনটি না করার জন্য তাই আমরা কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা করছি।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্যের একদিন আগে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন রাশিয়ার নেতা ভ্লাদিমির পুতিনকে বলেছিলেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেন দখল করে তাহলে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে। সোমবার পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে একথা বলেন বরিস।
রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন ইউক্রেন দখলে অভিযানের পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করে আসছে। তারা অভিযোগ করেছেন, নতুন অস্ত্র মোতায়েন করে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে কিয়েভ।
২০১৪ সালে ইউক্রেন হতে ক্রিমিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে বৈরিতা বিরাজ করছে।









