পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি আদায়ে উ. কোরিয়ায় পম্পেও

বিদেশ ডেস্ক
০৭ জুলাই ২০১৮, ১৬:০৮আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৮, ১৬:১০

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করা প্রশ্নে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি পেতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শনিবারের এই বৈঠকে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন তারা।

পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি আদায়ে উ. কোরিয়ায় পম্পেও

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী  উত্তর কোরিয়ার কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টিত একটি অভিজাত গেস্ট হাউজে কিম জং উনের ডান হাত হিসেবে পরিচিত কিম ইয়ং চোলের সঙ্গে দ্বিতীয় দিনের মতো আলোচনা করেন। এ আলোচনায় উত্তর কোরিয়ার এ নেতার সঙ্গে আর কেউ ছিল কি-না তা জানা যায়নি।

গত ১২ জুন সিঙ্গাপুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে দেশটি পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে কোনও সময়সীমার কথা জানায়নি। বৈঠকের পর ট্রাম্প অবশ্য দাবি করেন, উত্তর কোরিয়া এখন আর পরমাণু হুমকি নয়। এর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা দাবি করেন, কোরীয় উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের কথা বললেও এখনও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। এবারের সফরে পম্পেও কোরীয় উপদ্বীপের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরিভাবে ধ্বংসের সুস্পষ্ট উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।

এর আগে শুক্রবার এ মার্কিন দূত উত্তর কোরিয়ায় পৌঁছানোর পর উদ্বোধনী আলোচনায় তার প্রতিপক্ষ কিম জং চোল রসিকতা করে পম্পেওকে বলেন, তিনি অবশ্যই এখন নগরীর সব স্থান পরিদর্শন করতে পারেন।

এর জবাবে পম্পেও বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি রাজি। আমি এর অপেক্ষায় থাকছি।’

পিয়ংইয়ংয়ে পম্পেও’র এটি তৃতীয় সফর। কেননা, ট্রাম্পের সিআইএ পরিচালক থাকার সময় তিনি উত্তর কোরিয়ায় তার কূটনৈতিক মিশন শুরু করেন। গত এপ্রিলেও উত্তর কোরিয়া সফর করেছিলেন পম্পেও। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ প্রধান হিসেবে তখন সফর করেছিলেন তিনি। এরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে গত মে মাসে দ্বিতীয়বার পিয়ং ইয়ং যান পম্পেও।

 

/এএ/
সম্পর্কিত
মৌমাছির রানি হয়ে ওঠার রহস্য কী
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
সর্বশেষ খবর
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
দিল্লীতে আগুনে ৮ বাংলাদেশি আহত, গুরুতর অবস্থা তিন জনের
দিল্লীতে আগুনে ৮ বাংলাদেশি আহত, গুরুতর অবস্থা তিন জনের
ফুল দিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে বরণ
ফুল দিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে বরণ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান