জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে ব্যক্তির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৪আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৪

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দফতরের বাইরে এক ব্যক্তি নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে নগর পুলিশ বিভাগ। মার্কিন গণমাধ্যম এবং তিব্বতপন্থি এক অধিকার কর্মীর দাবি, ওই ব্যক্তি একজন তিব্বতপন্থি আন্দোলনকারী ছিলেন। তবে তদন্তকারীরা এখনোও এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেননি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ এএফপিকে জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে ফার্স্ট অ্যাভিনিউ ও ৪২তম স্ট্রিট এলাকায় এক ব্যক্তি নিজের গায়ে আগুন দিয়েছেন এমন খবর পায় তারা। পরে বেলভিউ হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার তদন্ত চলছে। এ ঘটনার কোনও উদ্দেশ্যের কথা জানায়নি পুলিশ।

নিউইয়র্ক পোস্টের খবরে বলা হয়, ঘটনার সময় ওই ব্যক্তির কাছে একটি তিব্বতের পতাকা ছিল। তবে এএফপি স্বাধীনভাবে এ তথ্য যাচাই করতে পারেনি।

ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন ফর তিব্বতের প্রেসিডেন্ট তেনচো গিয়াতসো নিহত ব্যক্তির নাম লোবগা রাংজেন বলে উল্লেখ করেছেন।

এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে গিয়াতসো বলেন, লোবগা ছিলেন তিব্বতের একজন অক্লান্ত কর্মী, যিনি তিব্বতের মানবাধিকার সংকট নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।

গিয়াতসো জানান, চীনের নতুন জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি প্রচার আইনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ছিল রাংজেনের। বেইজিংয়ের দাবি, এই আইনের লক্ষ্য জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি ‘অংশীদারিত্বমূলক’ জাতীয় পরিচয় গড়ে তোলা। তবে প্রবাসী আন্দোলনকারীদের যুক্তি, এই আইন উইঘুর ও তিব্বতিদের মতো জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার আরও ক্ষুণ্ন করবে, যাদের ওপর বেইজিং নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই ঘটনার বিষয়ে মন্তব্যের জন্য জাতিসংঘের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।

/এএস/ 
সম্পর্কিত
পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিমান
লেবাননে ১ লাখেরও বেশি শিশুর শিক্ষাজীবন ঝুঁকির মুখে: ইউনিসেফ
ঋণের কিস্তির চাপ সইতে না পেরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
সর্বশেষ খবর
জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার আশঙ্কা
জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার আশঙ্কা
পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিমান
পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিমান
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ছবি তুলে বিপাকে যুবদল নেতা, চাইলেন ক্ষমা
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ছবি তুলে বিপাকে যুবদল নেতা, চাইলেন ক্ষমা
এইচএসসি পরীক্ষা: অভিভাবকদের ভোগান্তি কমাতে নতুন নির্দেশনা
এইচএসসি পরীক্ষা: অভিভাবকদের ভোগান্তি কমাতে নতুন নির্দেশনা
সর্বাধিক পঠিত
খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ
খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ
এমপি মনির বক্তব্য ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির
এমপি মনির বক্তব্য ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির
৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ 
৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ 
অবশেষে খুলছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর 
অবশেষে খুলছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর 
আমেরিকার জনপ্রিয় ‘টুডে শো’ মাতালেন সানজয় ও নোরা ফাতেহি
আমেরিকার জনপ্রিয় ‘টুডে শো’ মাতালেন সানজয় ও নোরা ফাতেহি